ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক। যা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অনুধাবন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এদেশে প্রান্তিক কৃষকদের উৎসাহ জোগাতে সারাদেশে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকার সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করেছেন। এতে বোঝা যায়, বিএনপি সরকার কৃষকবান্ধব সরকার।
আজ শনিবার বিকেল ৫টায় প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬-এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে বর্তমান সরকার যাত্রা শুরু করেছিল। তবুও সরকার দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করেছে। এই কার্ডটি দিয়ে কৃষকরা সুলভ মূল্যে সার, বীজ ও কৃষি পণ্যসহ ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবে। এ ছাড়া বর্তমান সরকার প্রতি উপজেলায় কৃষি পণ্য সংরক্ষণের জন্য একটি করে মিনি হিমাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।
হাটহাজারী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে হাটহাজারী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক করেন হাটহাজারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসান মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ, হাটহাজারী পৌর বিএনপির নেতা আলহাজ্ব জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল ও কৃষক সেলিম শিকদার।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে হাটহাজারী সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ, হাটহাজারী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মো. শামসুল আলমসহ উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।