দেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরীর জন্মদিন আজ। বিশেষ এই দিনে সতীর্থরা দারুণ ফুটবল উপহার দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখবেন—নিশ্চয়ই এমনটাই চেয়েছিলেন হামজা। কিন্তু মাঠের চিত্র ছিল পুরোপুরি বিপরীত।
ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় পরাজয়। এর আগে তিনবার ৯ গোল হজম করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও ১৯৮২ সালে ইরানের কাছে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। আর ১৯৭৫ সালে হংকংয়ের কাছে ৯-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল দলটি।
জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৬-১ গোলে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। স্বাগতিকদের হয়ে মিচেল লি বেকার একাই করেন চার গোল। ফলে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কা নিয়েই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভাগ কিছুটা সামলে নেওয়ায় আর গোল না খেয়েই ম্যাচ শেষ করার পথে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আবারও ভেঙে পড়ে রক্ষণ। ৯০ মিনিট থেকে যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটের মধ্যেই আরও তিন গোল করে ইন্দোনেশিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেন শাহরিয়ার ইমন ও ইংল্যান্ডপ্রবাসী ফারহান আলী ওয়াহিদ। ৩৬ মিনিটে শাহরিয়ার ইমন একটি গোল করেন। আর যোগ করা সময়ে ফারহানের গোল বাংলাদেশকে আরও বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা থেকে কিছুটা রক্ষা করে।
শেষ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া ৯-২ বাংলাদেশ—হামজা চৌধুরীর জন্মদিনে লাল-সবুজের ফুটবলে নেমে এলো হতাশার এক রাত।