বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৪১ পদে নিয়োগ, এসএসসি পাসেই আবেদন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে ৩৯৩ জনের বড় নিয়োগ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার মানিক পশারীর প্রতি জাবি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা, স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন তৃতীয়বার মা হচ্ছেন আনুশকা? বিরাটের সঙ্গে ভিডিও ঘিরে জল্পনা আ.লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: শফিকুর রহমান ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশেই আছেন শাহজালাল রুমি, হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন কুড়িগ্রামে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট সাফা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান যেমন মানুষ
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

প্রচারণা চালাতে না পারায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচারণা চালাতে না পারার অভিযোগ তুলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের জাতীয় পার্টির (লাঙল প্রতীক) প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা। রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান এই আসনের দুইবারের সাবেক এই সংসদ সদস্য।

অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে রবিবার দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘কারো স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াইনি।

আমার অবস্থান কারো পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। আমার অবস্থান সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁকে তিনটি মামলায় আসামি করে নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়। এসব মামলার সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

এমনকি মামলায় উল্লিখিত সময়কালে তিনি সংসদ সদস্যও ছিলেন না।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরো উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মনোনয়ন দিলেও আইনি জটিলতার কারণে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। তাঁর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরাই মনোনয়ন দাখিল করেন। প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে তাকে ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ও গোপনে বিভিন্ন মহল থেকে ভয়ভীতি এবং গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়, যা চলমান।

যে কারণে তিনি অন্যান্য প্রার্থীর মতো স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচারণা চালাতে পারছেন না। এমন প্রতিকূল পরিবেশে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে পরামর্শ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার জামাতা, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগরের আটটি ইউনিয়ন) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি তিনি বিভিন্নজনের কাছ থেকে শুনেছেন। তবে এটি জাতীয় পার্টির কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত নয়। জাতীয় পার্টি নির্বাচনে আছে ও থাকবে।

কেউ যদি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়।
প্রসঙ্গগত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হলেন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব। স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এখানে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। এ ছাড়া বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত তরুণ দে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন মাহদী আলোচনায় আছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা