বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

তিন নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের স্বীকারোক্তি বিল গেটসের

প্রতিবেদকের নাম

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন এবং মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির কাছে রুদ্ধদ্বার সাক্ষ্য দিয়ে তিন নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন।

গত ১০ জুন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় গেটস এই তথ্য জানান। গতকাল মঙ্গলবার কমিটি তার সাক্ষ্যের অনুলিপি প্রকাশ করেছে। আজ বুধবার যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সাক্ষ্যের শুরুতে গেটস দুই রুশ নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তারা হলেন ব্রিজ খেলোয়াড় মিলা আন্তোনোভা এবং পারমাণবিক পদার্থবিদ কারিমা নিগমাতুলিনা। পরে কংগ্রেস সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও একজন নারী বিজ্ঞানীর সঙ্গে তৃতীয় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।

গেটস বরাবরের মতো দাবি করেছেন, এপস্টিনের কোনো যৌন নিপীড়নের ঘটনা তিনি কখনো দেখেননি। তবে এপস্টিনের পরিবেশে থাকার কারণে অজান্তেই ভুক্তভোগীদের কাছাকাছি চলে যেতে পারেন বলে মেনে নিয়েছেন। তিনি এপস্টিনের সঙ্গে সময় কাটানোকে ‘ভুল’ বলেও অভিহিত করেছেন।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কর্মীদের কাছে গেটস দুটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন। এপস্টিন পরে সেগুলো জেনে যান। সাক্ষ্যে গেটস জানান, দুই রুশ নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর জানার পর এপস্টিন তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছিলেন।

তবে গেটস আরও জানিয়েছেন, ২০১১ সালে এপস্টিনের সঙ্গে পরিচয়ের আগেই চিকিৎসা উদ্যোক্তা অ্যালিস জ্যাকবস নেসেলরোদের সঙ্গে তার তৃতীয় সম্পর্ক ছিল। এপস্টিন এই সম্পর্কেরও খবর রাখতেন বলে গেটস বিস্ময় প্রকাশ করেন। কংগ্রেস সদস্যরা তাকে ২০১৩ সালের জুলাইয়ে এপস্টিনের নিজের কাছে পাঠানো একটি ইমেইল দেখান, যেখানে অ্যালিসের নাম উল্লেখ ছিল।

গেটস জোর দিয়ে বলেন, এপস্টিন তার সম্পর্কগুলোর তথ্য ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করতে সফল হননি, যদিও এপস্টিনের উদ্দেশ্য সেদিকেই ছিল বলে তিনি মনে করেন।

এপস্টিনের একটি চিঠিতে দাবি করা হয়েছিল যে, গেটস রুশ নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের পর যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মেলিন্ডাকে গোপনে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে চেয়েছিলেন। গেটস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কোনো এক সম্পর্কের কারণে সংক্রমণের আশঙ্কা করেছিলেন বটে, কিন্তু তার কখনো যৌনবাহিত রোগ হয়নি।

এপস্টিন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের পর এই নতুন তথ্যগুলো সামনে এসেছে, যা বিল গেটসকে নতুন করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা