বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

যশোরে সন্তানের হাতে মা খুন; হত্যাকাণ্ডের ১৭ ঘণ্টার মধ্যে পিবিআই কর্তৃক হত্যাকারী গ্রেফতার

প্রতিবেদকের নাম

যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বাজেদূর্গাপুর এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেনের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন (৬৫) গৃহিনী হিসেবে বসবাস করতেন। গত ২৭/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ বিকাল আনুমানিক ০৪.০০ ঘটিকার সময় তাঁর বড় ছেলে মোঃ মামুনুর রশিদ (৪৩) বাড়িতে এসে মায়ের নিকট গোসলের জন্য গামছা চান। এ সময় মা-ছেলের মধ্যে কথাবার্তার একপর্যায়ে পূর্বের দুই স্ত্রী তাকে ছেড়ে যাওয়ার বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে মামুনুর রশিদের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে মামুনুর রশিদ পাশে থাকা তরকারি কাটার বটি দিয়ে মায়ের পিঠে সজোরে কোপ মারেন। ভিকটিম মাটিতে পড়ে গেলে আসামি এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে এবং সর্বশেষ জবাই করে তাঁর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের অপর ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে আপন মোঃ মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১১৭, তারিখ-২৮/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ; ধারা-৩০২ পেনাল কোড দায়ের করেন। পিবিআই যশোর জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) রতন মিয়া মামলাটি তদন্ত করছেন।

পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে গত ২৮/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় যশোর কোতয়ালী থানাধীন ৮নং দেয়াড়া ইউনিয়নের তেঘরিয়া এলাকা থেকে আসামি মোঃ মামুনুর রশিদ (৪৩)-কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পিবিআই এর তদন্তে জানা যায়, আসামির প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী পরিবারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাকে ছেড়ে চলে যায়। এ ঘটনায় আসামি তার মাকে দায়ী করে আসছিলেন। এ নিয়ে প্রায়ই মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ হতো। ঘটনার দিন পূর্বের বিরোধের জের ধরে আসামি তাঁর মাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর আসামি মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।

ঘটনার সাথে অন্য আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা