শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বোরকা পরে বাজার করলাম : শাবনূর

প্রতিবেদকের নাম

3-) বোরকা পরে বাজার করলাম : শাবনূর

শিল্পীদের ব্যাক করার কিছু নেই

দীর্ঘসময় চলচ্চিত্রে নেই, অনুভূতি কেমন জানতে চাইলে শাবনূরের সাফ কথা, ‘শিল্পীদের ব্যাক করার কিছু নেই। একজন শিল্পী সব সময় তীর্থের কাকের মতো মুখিয়ে থাকেন একটি ভালো গল্পের জন্য। আর মনের মতো গল্প পেলেই কাজ শুরু করে দেব। এই অপেক্ষায় আছি।

শিল্পীদের বয়স বলেও কিছু নেই-

শাবনূর বলে চললেন, ‘ও হ্যাঁ আরেকটা কথা কিন্তু চির সত্য, আর তা হলো শিল্পীদের বয়স বলেও কিন্তু কিছু নেই, যে কোনো বয়সে মনের মতো চরিত্র পেলে কাজে নেমে পড়তে পারে। শিল্পীরা কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে চির সবুজ, এ কথা মানতেই হবে। তাই আমার বয়স যতই হোক না কেন, আমি অভিনয় করে যাব। আসলে আমাদের লাইফটাই এমন, মানে আমৃত্যু কাজে ডুবে থাকা’।

আবারও চলচ্চিত্রে ডুবে যাব-

শাবনূর এবার আরেকটি সুখবর দিলেন। আর তা হলো তিনি আবারও চলচ্চিত্রের অভিনয়ে ডুবে যাবেন। দর্শকনন্দিত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রচুর নির্মাতা আমার কাছে গল্প নিয়ে আসছেন। তাই আমার মন বলছে আবারও অভিনয়ে ডুবে যাই। এখন তাই করব বলে মনস্থির করেছি।

নির্মাণের কথাও ভাবছি

শাবনূর চলচ্চিত্র নির্মাণে তাঁর অতীত সিদ্ধান্তের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি যখন চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলাম তখন চলচ্চিত্র জগতের অবস্থা কোনো দিক দিয়েই সুখকর ছিল না। এখন দেখেশুনে মনে হচ্ছে চলচ্চিত্রের সুদিন আবার ফিরতে শুরু করেছে।

তাই স্থির করেছি এবার হয়তো নির্মাণের ইচ্ছাটা পূরণ করতে পারি। তবে ভালো কিছু করার জন্য একটু সময় নিতেই পারি।’

আইজেন বড় অভিমানী

নিজের একমাত্র পুত্র আইজেনকে নিয়ে খুবই আবেগী শাবনূর। তাকে নিয়ে আবেগ ছড়িয়ে বলেন, ও বড় অভিমানী এবং খুব মেধাবী। ইংরেজি-বাংলা মিলিয়ে ওর আধো আধো কথা শুনতে খুব ভালো লাগে। ও আমাকে খুব টেককেয়ার করে। ও সবই করছে আমার জন্য; এতটুকু বয়সের আদরের আইজেন। আমার মনে হয়, আমি নই, ও-ই আমার গার্ডিয়ান। ওকে নিয়ে আমি খুব সুখী।

আমার জীবনের গল্পটা অন্যরকম

নিজের জীবনটাকে নিজের কাছে কেমন মনে হয়? এমন কথার জবাবে শাবনূরের ত্বরিত উত্তর হলো- ‘একেকজন মানুষের জীবনের গল্প একেক রকমের। আমার জীবনের গল্পটা কিন্তু অন্যরকম। সবাই ছোটবেলায় খেলাধুলা করে, ঘুরে বেড়ায়, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি, বাদাম, আইসক্রিমসহ কত কী খায়, মেয়েরা ছোট বয়সে ছেলেদের সঙ্গে টাংকি মারে, প্রেম করে; আমি এসবের কিছুই পাইনি। যখন বুঝে ওঠার বয়স হলো তখনই ফিল্মে চলে এলাম। তাই এখন ছোট বেলাটাকে খুব মিস করি। শুধু তাই নয়, ছোটবেলার দিনগুলোতে ফিরে যাওয়ারও চেষ্টা করি। গতবার যখন দেশে এসেছিলাম তখন ইচ্ছা হলো খোলা রাস্তায় রিকশায় চড়ে ঘুরে বেড়াই। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। বোরকা পরে রিকশায় চড়ে বাজার করলাম, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি কিনে খেলাম। কেউ কিন্তু আমাকে একটুও চিনতে পারেনি। আরেকদিন ইচ্ছা হলো মুড়ির টিন মার্কা বাসে চড়ে মায়ের বাসায় যাব। বাসে চড়তে কেমন লাগে দেখতে চাই। তাই আমার এক বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে চড়লাম শ্যামলী বাসে…মজা করে ঘুরে বেড়ালাম ঢাকা শহরের রাজপথে…উ্ফ সে কী আনন্দ। মনের অজান্তে গেয়ে উঠলাম- ‘ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো…।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা