আগামী দিনে দেশে চীনের বিপুল বিনিয়োগ দেখা যাবে বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে চীনে রপ্তানি বাড়ানোর জন্য আমাদের স্ট্যাটিজি, চীন ইতোমধ্যে আমাদের সব পণ্য শুল্কমুক্ত করে দিয়েছে, আমাদের কাছে একটাই সম্ভাব্য উপায়, যেটি আমরা অনুসরণ করছি, বাংলাদেশে বেশি বেশি চায়নিজ বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।’
আজ শনিবার দুপুরে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘চীন-মিয়ানমার করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে, ২৪ ঘণ্টায় একটি ট্রাকে করে বাংলাদেশ থেকে চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে। ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিপুল গতি লাভ করবে। এতে বিনিয়োগ অবশ্যই বাড়বে।’
চট্টগ্রামে ৮০০ একরের একটি চাইনিজ শিল্প পার্ক স্থাপনের ব্যাপারে কিছুদিন আগেই মন্ত্রীসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে চীনের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সেদেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বড় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যার ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ চীনা বিনিয়োগ দেখব। এতে বাণিজ্য ঘাটতিও কমবে।’
এর আগে আইনজীবী সমিতির নবীণবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রে বিচারহীনতার পরিবেশ হলে সামাজিক চুক্তি ও আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে। সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার, সমতা, বৈষম্যহীনতা, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে আইনজীবীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।’
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী (সুহেল)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জুবায়ের বখত জুবের, ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ, বিভাগীয় স্পেশাল জজ এম. আলী আহমদ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসাম ইমাম, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল প্রমুখ।