শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পোস্টারে ব্যক্তিগত ছবি, প্রভার ক্ষোভ, অতঃপর পরিবর্তন রূপায়ণ সিটি উত্তরায় চলছে তিন দিনব্যাপী স্পট বুকিং কার্নিভাল জুলাইয়ের চেতনাকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে ব্যবহার করা যাবে না: তথ্যমন্ত্রী ইউসুফ হত্যা: তদন্ত ভিন্নখাতে নেওয়ার অভিযোগ উৎপাদন ব্যাহত, জনজীবনে চরম ভোগান্তি; পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও দুই সপ্তাহ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন ২৬৫ জন অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে অপচয় করা যাবে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীর অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাইলেন সাইফুল হক পরিবর্তনের চাবিকাঠি নাগরিকদের হাতেই: হোসেন জিল্লুর রহমান জাগো বাঁশখালী পেইজের আবু ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে ২লাখ চাঁদাদাবির অভিযোগ
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে নিজ দপ্তরে মদের টাকার লেনদেনের অভিযোগ : ভিডিও ভাইরাল

প্রতিবেদকের নাম

টাঙ্গাইলে নিজ দপ্তরেই মদের টাকা লেনদেনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ হচ্ছে। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনে তার কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা কেরু কোম্পানীর মদ কিনতে লেনদেন করতে দেখা যায়, তার কথাগুলো ভিডিও’র মাধ্যমে জানা যায়। গতকাল এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়। এছাড়াও তার সরকারি বাস ভবনে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদক সম্পর্কে আলোচনা করছেন। এক পর্যায়ে তিনি মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে কারো হাতে দিচ্ছেন মদ কিনতে। এ নিয়ে পুরো জেলা জুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মচারি জানান, সঞ্জয় কুমার মহন্ত একজন বড় কর্মকর্তা হয়ে কিভাবে তার কক্ষে বসেই মদ কেনার জন্য টাকা দিলেন এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এছাড়া সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌরসভার কয়েকজন ঠিকাদার কাজ না করেই বিল নেওয়ার জন্য স্যারকে অনেকেই টাকা দিচ্ছেন। তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা