রাজধানীর ডেমরায় বিয়ের প্রলোভেনে প্রয়াত ব্যবসায়িক অংশীদারের স্ত্রীকে ধর্ষণের দায়ে গোলাম দস্তগীর (৪৮) নামের একজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ডেমরার হাজিনগর আল আমিন রোডের জনৈক সাত্তার মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
দস্তগীর ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে ডেমরায় থাকেন।
গতকাল রাতে ৩৬ বছর বয়সী ভুক্তভোগী নারী ডেমরা থানায় গোলাম দস্তগীরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আজ ভুক্তভোগী ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে ডেমরা থানা পুলিশ।
বাদীর বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা তাইফুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে দস্তগীরের ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ছিল। ৬-৭ মাস আগে ওই নারীর স্বামী মারা যান। পরে দস্তগীর ও তার স্ত্রী মিলে ভুক্তভোগী ও তার ১২ বছরের মেয়েকে হাজিনগর এলাকায় নিজের ভাড়া বাড়িতে বসবাসের জন্য আনেন। বসবাসের এক পর্যায়ে ওই নারীর সঙ্গে দস্তগীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তিনি বলেন, ওই ধারাবাহিকতায় গত তিন-চার মাস আগে ভুক্তভোগীকে চকবাজার বন্ধুর বাসায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে প্রথম ধর্ষণ করেন দস্তগীর। এরপর থেকে নিজের বাড়িতে ওই নারীকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করতে থাকেন তিনি। দস্তগীরের নির্দেশ অনুযায়ী মোবাইলে ধারণ করা নগ্ন ছবি ও ভিডিও সরল মনে তার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান পাঠায় ওই নারী। এদিকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওই ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেন দস্তগীর।