মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

‘প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না, মাসে থানায় ৬০ হাজার টাকা দেই’

প্রতিবেদকের নাম

প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না, আমি প্রতি মাসে থানায় ৬০ হাজার টাকা মাসোহার দিয়ে ব‍্যবসা করি বলে মন্তব্য করেছেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের নদী পাড়ার রুপালি খাতুন নামের এক নারী ‘মাদক কারবারি’।

গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা মাদক ব‍্যবসা বন্ধ করার কথা বলতে ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়দের উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন তিনি।

পরে পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ২৫ পিচ ও তার ছেলে আল-আমিনের কাছ থেকে ১৫ পিচ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ১১ হাজার ৭৫ টাকা উদ্ধার করে। আজ রোববার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রুপালি খাতুন (৪০) শহরের নদী পাড়া এলাকার মিজান হোসেনের স্ত্রী এবং আল-আমিন (২২) ওই দম্পতির ছেলে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে মাদকের ব‍্যাপক বিস্তার লাভ করায় স্থানীয়রা তা প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেন। গত ১১ ও ১৩ তারিখে পাইকপাড়া গ্রাম থেকে দুই যুবককে ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার রাতে স্থানীয়রা শহরের নদী পাড়া এলাকার রাসেল ও রুপালি খাতুনের বাড়িতে যায় মাদক ব‍্যবসা থেকে বিরত থাকার জন্য।

স্থানীয় টিটোন হোসেন নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা স্থানীয় ১৮/২০ জন মিলে নদীপাড়ার কয়েকজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের মাদক বিক্রি বন্ধ করতে বলি। এ সময় রুপালি নামের এক নারী মাদক কারবারি আমাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং বলে, প্রশাসনও আমার কিছু করতে পারবে না, আমি থানা পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে ব‍্যবসা করি।’

তিনি জানান, কিছুক্ষণ পর সেখানে ওসিসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত হলে স্থানীয়রা ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দিতে থাকেন। পরে পুলিশদের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার ও তার ছেলে আল-আমিনের কাছ থেকে ৪০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ১১ হাজার ৭৫ টাকাসহ আটক করা হয়।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘কেউ প্রমাণ দিতে পারবেন না যে, কালীগঞ্জ থানার কাউকে মাদকের একটি টাকা দিয়েছে। যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে তাহলে আমরা ওয়ান-টুর মধ্যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব ইনশাআল্লাহ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা