বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বললেন আবু হানিফ ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়ে এনসিপি জুলাই শহীদদের সঙ্গে বেঈমানী করছে

প্রতিবেদকের নাম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়ে এনসিপি জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানী করছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

আজ রোববার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন আবু হানিফ। নিচে ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধার হলো:

জুলাই আন্দোলনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ যে নির্মমতা দেখিয়েছে, তা কোনোভাবেই ভোলার নয়। শুরু থেকেই তারা আমার ভাই-বোনদের ওপর হামলা চালিয়েছে, আর সেই বর্বরতা ছড়িয়ে পড়েছিলো সারাদেশে। ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর যে সংগঠন সন্ত্রাসী কায়দায় আঘাত হেনেছে, তাদের বিরুদ্ধে তখন দেশের সব মহল থেকে নিষিদ্ধের জোর দাবি উঠেছিল। অবশেষে অন্তর্বর্তী সরকার সেই দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে,যেখানে জুলাই আন্দোলনের নেতাদের ভূমিকাও ছিলো স্পষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ।

আজ সেই অবস্থান থেকেই ভয়াবহ এক বিপরীত সুর শোনা যাচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রকাশ্যে বলছেন,আগে ছাত্রলীগ করলেও এখন তারা এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে। এই বক্তব্য শুধু বিতর্কিত নয়, এটি সরাসরি জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়ে এনসিপি জুলাই শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী করছে। যে সংগঠনের কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের জন্য রাজনৈতিক পুনর্বাসনের দরজা খুলে দেওয়া মানে সেই সহিংসতাকে বৈধতা দেওয়া।

আগেই অভিযোগ ছিল, এনসিপি বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করছে। এখন সেই অভিযোগ যেন প্রকাশ্য সত্যে পরিণত হলো। একদিকে সাবেক শিবির, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের লোকজন, এই মিশ্রণে গড়ে উঠা দলটি আদর্শের জায়গা থেকে কতটা দৃঢ়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই স্বাভাবিক।

এনসিপির কোন রাজনৈতিক আদর্শ নাই, দল বড় করাই তাদের মূল লক্ষ্য। যারা জুলাইয়ে রক্ত ঝরিয়েছে, তাদেরই আবার আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা শহীদদের আত্মত্যাগকে অপমান করছে।এই বিশ্বাসঘাতকতার বিচার ইতিহাস একদিন অবশ্যই করবে। কারণ রক্তের দাগ মুছে ফেলা যায় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত্রতত্র ময়লা-বর্জ্য ফেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), বিডি ক্লিন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ​আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির ৫টি অঞ্চলের ২২টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুরো এলাকাকে ১০টি ব্লকে বিভক্ত করে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ বা হটস্পটে কাজ করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা। সপ্তাহে সাত দিনই বিডি ক্লিনের ৭০ জন এবং রেড ক্রিসেন্টের ৫০ জনসহ মোট ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে থাকবেন। তারা নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার ব্যাপারে সচেতন করবেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারণা চালাবেন, ওয়েস্টবিনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন এবং সতর্কীকরণ নোটিশ প্রদান করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনকে জরিমানা করার সুপারিশও করবেন তারা। ​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি করপোরেশনের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ সমানভাবে প্রয়োজন। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’ ​তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার যে লক্ষ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করেছে, এই যৌথ উদ্যোগ তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই পরিচ্ছন্নতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।’ ​অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব জনাব মো. জয়নুল আবেদীনসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিডি ক্লিন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে আমরা