রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় ঝটিকা মিছিল করার সময় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৬ নেতাকর্মীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাদের কারাগারে এই পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন মাহফুজুর রহমান ওরফে মুরাদ, সোহরাব খাঁ, মোস্তাক বিশ্বাস, রনি, জনি, মুরাদ লস্কর, সিয়াম হোসেন, তারিক জামিল, রাজু, বিল্লাল বখতিয়ার, চয়ন বিশ্বাস, অমিত চক্রবর্তী, তানজিল বিন রশীদ, নিহাদুল ইসলাম, সুপ্ত ঘোষ, সজিব সাহা, কুতুব হিলালী, শিমুল, সোহান আহমেদ, তামিম মোল্লা, সানিউল্ল্যাহ ওরফে শিমুল ব্যাপারী, আব্দুল হান্নান বিশ্বাস, মির্জা ফারহান আনন্দ, নাইমুর রহমান সোহাগ, আব্দুর রহিম ও জাহিদ হাসান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ রেজানুর রহমান তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
শুনাবিকালে আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন সময়ে ধানমন্ডি এলাকাসহ ঢাকা শহরের অলিগলিতে জনসম্মুখে বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাতের জন্য বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রসহ অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে পরস্পর সমবেত হয়ে মিছিল করে আসছিল। শুক্রবার দুপুরের দিকে আসামিরাসহ অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারবিরোধী মিছিল করার জন্য ঘটনাস্থল ধানমন্ডিতে সমবেত হয়। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে ও সহযোগিতায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে অপরাধ সংগঠনের ষড়ষন্ত্রসহ মিছিলে সমবেত হন। তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করা, জন সাধারনের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি ও জনজীবন বিপন্ন সাধনের চেষ্টা করায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন/২০০৯ এর ৮/৯(৩)/১০/১১/১২ ধারার অপরাধ করেছেন।
এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানার এসআই মো. তানভীর মেহেদী বাদী হয়ে মামলা করেন।