গানে গানে বরাবরই প্রতিবাদ আর সমাজের নানা অসঙ্গতির কথা তুলে ধরেন কুঁড়েঘর ব্যান্ডের গায়ক তাসরিফ খান। ২৪’র বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তার ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’ গানটি সাহস যুগিয়েছিল ছাত্র-জনতাকে। বর্তমান সময় দেশজুড়ে শিশু ধর্ষণ-হত্যা সংখ্যা বেড়েছে। আর প্রতিটি ঘটনাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে দেশের মানুষজন।
বিষয়টি নজর এড়ায়নি সংগীতশিল্পী তাসরিফ খানের। আর তাই তো তিনি কণ্ঠে তুললেন আবার প্রতিবাদের কথা। গাইলেন ‘রক্ষা করো এই বাগান’ শিরোনামে একটি গান। গায়কের সঙ্গে গানটির কথা লিখেছেন তারিক আবেদিন ইমন। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি এর সুরও করেছেন তাসরিফ।
গানের কথাগুলো এমন- তিন’শত রান ক্রিকেটে হলেও, হই হুল্লোড় আওয়াজ হয়/ শত শত শিশু চলে গেলে তবু, এ যেন এমন কিছুই নয়/ মানুষগুলো কেমন জানি, সংখ্যা হয়ে যাচ্ছে রোজ/ শোক জানিয়েছি এইতো বেশি, কেন নিতে যাবো ওদের খোঁজ?’
গানটি তাসরিফ খান ও তার ব্যান্ডদল কুঁড়েঘর’র ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের পরপরই এটি তুমুল সাড়া ফেলেছে।
উল্লেখ্য, শৈশব থেকেই তাসরিফের গানের চর্চা শুরু। যদিও শৈশবে খুব লাজুক ছিলেন এই গায়ক। অন্যের সামনে গান করতে লজ্জা পেতেন। তিনিই একদিন ‘নিধুয়া পাথারে…’ শিরোনামে একটি গান মুঠোফোনে রেকর্ড করেন। ভয়ে ভয়ে সেটি ফেসবুকে পোস্ট করেন। সেই গানে ৯০ জন ইতিবাচক মন্তব্য করেন। সেদিনই তার মনে হয়, তিনি গান করলে ৯০ ভাগ না হলেও ৫০ ভাগ মানুষ তো তার গান পছন্দ করবেন। এই আত্মবিশ্বাসই তাকে গানে ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করে।
তাসরিফের গাওয়া প্রথম ‘মধ্যবিত্ত…’ গানটি তাকে রাতারাতি শ্রোতাদের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে ‘তুমি মানে আমি’, ‘ময়না রে’, ‘তাই তো আইলাম সাগরে’, ‘ব্যাচেলর’, ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’ গানগুলো তাকে আলোচনায় আনে।