বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

হাবিপ্রবিতে ‘সমকামিতার’ অভিযোগে ৩ ছাত্র আটক, সাময়িক বহিষ্কার

প্রতিবেদকের নাম

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সংলগ্ন একটি আবাসিক মেসে ‘সমকামিতায়’ লিপ্ত থাকার অভিযোগে তিন ছাত্রকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ‘হ্যাভেন সিটি’ নামক ছাত্রাবাস থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে।

আটকরা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদের ২৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কাউসার, ২৫তম ব্যাচের মনিরুল এবং একই ব্যাচের রবিউল।

​নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা জানান, অভিযুক্তদের আচরণ ও গতিবিধি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের মনে সন্দেহ ছিল। সেই সূত্র ধরে শনিবার বিকেল থেকে তাদের ওপর নজর রাখা হয় এবং রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মেসের একটি কক্ষ থেকে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের স্মার্টফোন খতিয়ে করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেঞ্জার চ্যাটে আপত্তিকর কথোপকথনের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলে প্রক্টরিয়াল টিম এসে তাদের উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে আসে।

জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মনিরুল নিজের ভিন্নধর্মী ওরিয়েন্টেশনের কথা স্বীকার করে জানান, ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের প্রতি তার এক ধরনের আকর্ষণ রয়েছে। তবে অন্য দুই শিক্ষার্থী রবিউল ও কাউসার তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কাজের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

রবিউল দাবি করেন, মনিরুলের সাথে তার কেবল সুসম্পর্ক ছিল, কোনো অসামাজিক সম্পর্কে তারা লিপ্ত ছিলেন না।

অন্যদিকে কাউসার জানান, সিনিয়রদের সাথে পরিচিত হতে তিনি শহর থেকে ওই মেসে এসেছিলেন এবং ঘটনার সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এ বিষয়ে হাবিপ্রবি প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে বা এর আশেপাশে কোনো ধরনের অসামাজিক বা নীতিবহির্ভূত কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেয় না। বিষয়টি জানার পরপরই স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।’ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত তিন ছাত্রকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা