মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সম্মতি দিয়েছিল প্রধান ২ দল

প্রতিবেদকের নাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি করতে দেশের প্রধান দুই দল (বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী) সম্মতি দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে এবং তারাও এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এইটা আমরা অন্ধকারে করেছি।’

তিনি বলেন, ‘মার্কিন চুক্তিতে একটা এন্ট্রি ক্লজ এবং এক্সিট ক্লজ আছে। এন্ট্রি ক্লজ হলো, নোটিফিকেশন না হলে এটা কার্যকর হবে না। এখনও নোটিফিকেশনে যাইনি। সরকার ইচ্ছা করলে রিভিউ করতে পারে। আর এক্সিট ক্লস হলো, ৬০ দিনে আপনি নোটিস দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন। এমন না যে আমরা একটা বন্ধ ঘরে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছি।’

খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই চুক্তি পাঠে আমাদের একটা বিভ্রান্তি আছে। শুধু বাংলাদেশের যে এগ্রিমেন্ট সেটা দেখলে চলবে না। পাশাপাশি আপনি দেখবেন ভিয়েতনাম, ক্যাম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া অন্যান্য দেশগুললো কি কি দিয়েছে আর তারা কি কি পেয়েছে। এই ল্যাঙ্গুয়েজ কম্পেয়ার করে দেখলে দেখবেন যে, মোটামুটি ইউনিফর্ম ল্যাঙ্গুয়েজ সব জায়গাতে এক আছে।’

তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মাঝখানে আমরা পড়িনি। প্রথমে একেবারেই শুরুতে যখন এই ডিলটা হলো, এক বছর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম তাদের কাছে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আমরা কথা বলি। এই রেসিপ্রোকাল টারিফ আরোপ করা হয় সম্ভবত এপ্রিল মাসে এবং তারপরের থেকে এই আলোচনা শুরু হয়। এপ্রিল থেকে জুলাই টানা আলোচনা চলে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু আমাদের না, আরও অনেক দেশের সঙ্গে এবং সেই আলোচনার পরে কিন্তু আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছিলাম। সেই সময় মোটামুটিভাবে চুক্তিটা হয়। শুধু দুটো বিষয়। একটা হলো, আমরা তাদের বলেছিলাম যে, আমেরিকান কটন দিয়ে তৈরি বা আমেরিকান ম্যানমেড ফাইবার দিয়ে তৈরি যে পোশাক আমরা তাদের কাছে পাঠাবো, সেইখানে আমরা জিরো রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাই। সেটা করতে তারা সময় নিয়েছে। এটা কিন্তু আমাদের স্বার্থে। আর দ্বিতীয় হলো, রুলস অব অরিজিন। তাতেও তারা সময় নিয়েছে। এগ্রিমেন্ট আমরা করে রেখেছিলাম ৩১ জুলাই এবং ১ আগস্ট আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছিলাম। সুতরাং এটা যে চট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে করা হয়েছে সেটা ঠিক নয়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা