শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের দায়ে নেপালে ১০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার কী আছে পুতিনের ‘চলন্ত দুর্গ’ অরাস সেনাট লিমোজিনে? ইয়েমেনে হুথিদের অবস্থানে হামলার দাবি সরকারি বাহিনীর ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় পড়লে আল্লাহর সাহায্য চাইবেন যেভাবে ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ হুথিদের ঠেকাতে ট্রাম্পের সামরিক সহায়তা চাইলেন সৌদি যুবরাজ দুর্নীতির দায়ে দুই সাবেক ফুটবল প্রেসিডেন্ট আজীবন নিষিদ্ধ বিএনপির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের উপদেষ্টা হিসেবে রিজভীকে দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫

প্রতিবেদকের নাম

ফিলিপাইনে আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি ফেরির ধ্বংসাবশেষ থেকে আরও ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানান হয়, এ নিয়ে দেশটিতে ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত বুধবার রাজধানী ম্যানিলা থেকে পর্যটনকেন্দ্র করোনের উদ্দেশে যাত্রা করা এমভি জুন অ্যাস্টার ফেরিটিতে আগুন লাগে। গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর সময় ফেরিটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় ফেরিটিতে ১১৭ যাত্রী ও ১৭ জন ক্রু সদস্যসহ মোট ১৩৪ জন ছিলেন।

এ ঘটনায় ৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখনও ৫০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। ফেরিটির ভেতরে আরও মরদেহ রয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড।

বিষাক্ত ধোঁয়া ও প্রচণ্ড তাপের কারণে শুক্রবারের আগে উদ্ধারকারীরা ফেরিটির ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে উদ্ধার অভিযান শুরু হলে অধিকাংশ মরদেহ ফেরিটির ঘুমানোর অংশ থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রায় ২২ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রায় ছিল ফেরিটি।

কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র কমোডর নোয়েমি কায়াবায়াব বিবিসিকে বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় শনাক্ত ও পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শোকের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফেরিটির কার্গো রাখার অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, আগুন লাগার সময় কিছু যাত্রী লাইফ জ্যাকেট পরা ছিলেন না।

উদ্ধার হওয়া এক যাত্রী বিবিসিকে জানান, আগুন লাগার পর ফেরির ভেতর থেকে আতঙ্কিত মানুষের চিৎকার শুনতে পান তিনি। বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় আতঙ্কিত যাত্রীদের চাপে তিনি পদদলিতও হন।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে ফিলিপাইনের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। ২০০২ সালে নির্মিত ফেরিটির বৈধ নিরাপত্তা সনদ ছিল এবং চলতি বছরের মার্চে এটি নিয়মিত পরিদর্শনেও উত্তীর্ণ হয়েছিল।

তদন্তকারীরা ফেরিটির যাত্রী তালিকায় কোনো অসঙ্গতি ছিল কি না, কার্গো সঠিকভাবে বোঝাই করা হয়েছিল কি না এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ক্রু সদস্যদের দায়িত্ব পালনের প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না এসব বিষয় খতিয়ে দেখছেন।

ফেরিটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আতিয়েনজা ইন্টারআইল্যান্ড ফেরিজ তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে তারা রয়েছে এবং নিখোঁজ প্রত্যেক ব্যক্তির সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা