সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

মোদি-শি বৈঠক ঘিরে ভারত-চীন সম্পর্ক স্বাভাবিকের ইঙ্গিত

প্রতিবেদকের নাম

ভারত ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্য সামলে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে কাজ করার বার্তা দিয়েছে বেইজিং। নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের আগে শুক্রবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিং ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করছে দুই দেশ। শনিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে।

শু ফেইহং বলেন, দুই নেতার কৌশলগত নির্দেশনা অনুসরণ করে ভারত ও চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে নিতে চায়। এজন্য যোগাযোগ বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার করা এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে সামাল দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশ ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং একে অপরের সাফল্যে সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

এটি টানা তৃতীয় বছর হতে যাচ্ছে, যখন মোদি ও শি মুখোমুখি বৈঠক করবেন। এর আগে কাজান ও তিয়ানজিনে দুই নেতার বৈঠক হয়েছে। প্রায় সাত বছর পর ভারতে সফর করছেন শি জিনপিং। ২০২০ সালের পর এবারই প্রথম তার ভারত সফর।

২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চীনা সেনাদের সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগিয়েছে। কাজান ও তিয়ানজিনে মোদি-শি বৈঠকের পর সেই প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংও মোদি-শি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুই নেতা কৌশলগত দিকনির্দেশনার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা, যোগাযোগ বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলায় কাজ করবেন।

শি জিনপিংয়ের ভারত সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ও পার্টির সাধারণ কার্যালয়ের পরিচালক ছাই ছি এবং পলিটব্যুরোর সদস্য ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

ভারতের আয়োজনে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। সম্মেলনের ফাঁকে মোদি-শি বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা