শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গিটারিস্ট রাসেল খানের মৃত্যু বিকিনি থেকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য—অভিনেত্রীদের অস্বস্তি নিয়ে যে কথা বললেন রাশমিকা মোহাম্মদপুরে ‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য দিদার গ্রেপ্তার পৃথক অভিযোগে সৌদির কারাগারে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল-সুইটি দীর্ঘ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় বিচ কার্নিভাল: সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন পটুয়াখালীতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে ইলিশ শিকারের মহোৎসব ‘হাজারো ডিসেম্বর আসবে, কিন্তু শেখ হাসিনা আসবে না’ চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের দুর্গাপূজা উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে: শ্রমমন্ত্রী একদল সীমান্তের ওপার থেকে টাকা দিচ্ছে, আরেক দল দেশে অস্থিরতা তৈরি করছে
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিকিনি থেকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য—অভিনেত্রীদের অস্বস্তি নিয়ে যে কথা বললেন রাশমিকা

বিনোদন ডেস্ক

বিকিনি কিংবা শরীরের বেশি অংশ প্রকাশ পায়—এমন পোশাকে স্বচ্ছন্দ নন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সিনেমার প্রয়োজনে অভিনয়শিল্পীদের অনেক সময় নিজেদের পছন্দের বাইরে গিয়ে কাজ করতে হলেও ব্যক্তিগত সীমারেখা ও অস্বস্তিকে উপেক্ষা করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাশমিকা ও তার স্বামী, অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা।

করণ জোহরের সঞ্চালনায় ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম মৌসুমে হাজির হয়ে অভিনয়শিল্পীদের পোশাক, ব্যক্তিগত পছন্দ এবং কোনো দৃশ্য নিয়ে আপত্তি জানানোর স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেন এই তারকা দম্পতি।

রাশমিকা জানান, বাণিজ্যিক সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় এমন পোশাক পরতে হয়, যা অভিনয়শিল্পীর ব্যক্তিগত পছন্দের সঙ্গে মেলে না। তবে চরিত্রের প্রয়োজনে সবকিছু মেনে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন না তিনি।

এ প্রসঙ্গে রাশমিকা বলেন, ‘কিছু বিষয় আছে, যেগুলোতে আমি স্বচ্ছন্দ নই। আমি জানি, কিছু চরিত্রের প্রয়োজনে বিকিনি বা এ ধরনের পোশাক দরকার হতে পারে। কিন্তু এমন ক্ষেত্রেও আমি বলব, শরীরের বেশি অংশ প্রকাশ পায়—এমন পোশাকে আমি অস্বস্তি বোধ করি। আমি সে ধরনের মানুষ নই।’

নিজের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান রাখেন বলেও জানান অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, কিছু পোশাক পরতে পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না তিনি। তাই এমন পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করেন, যারা তার সিদ্ধান্ত ও ব্যক্তিগত সীমারেখাকে সম্মান করেন।

রাশমিকার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডাও। তার মতে, কোনো দৃশ্য বা পোশাক নিয়ে অস্বস্তি থাকলে তা প্রকাশ করার মতো পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। কারণ, সিনেমায় কাজ করতে রাজি হওয়ার পর কোনো দৃশ্য নিয়ে আপত্তি জানালে পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে—এমন আশঙ্কায় অনেক অভিনয়শিল্পী নিজের অস্বস্তির কথা চেপে যান।

বিজয়ের মতে, সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর অভিনয়শিল্পীরা অনেক সময় ভাবেন, নির্দিষ্ট কোনো দৃশ্য বা পোশাক নিয়ে আপত্তি জানালে অন্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে অনীহা আছে বলে মনে করবেন। এই চাপের কারণে তারা নিজেদের অস্বস্তি উপেক্ষা করেও রাজি হয়ে যেতে পারেন।

এ বিষয়ে বিজয় বলেন, অভিনয়শিল্পীদের নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে পাশে কাউকে থাকা দরকার। কোনো দৃশ্য নিয়ে আপত্তি জানালে তাদের পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হতে পারে। তখন অনেকেই বিষয়টি আর বড় করতে চান না এবং আশা করেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু পরে পরিস্থিতি প্রকাশ্যে এলে তাদের মনে হতে পারে, শুরুতেই আপত্তি জানানো উচিত ছিল।

নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন রাশমিকা। তিনি স্বীকার করেন, কোনো দৃশ্যে অভিনয় করতে না চাইলে পরিচালকের কাছে সরাসরি ‘না’ বলা তার জন্যও কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিজয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সাহস পান তিনি।

রাশমিকার কথায়, অভিনয়শিল্পীদের এমন পরিবেশ দেওয়া উচিত, যেখানে তারা নির্দ্বিধায় প্রশ্ন করতে পারবেন এবং নিজেদের অস্বস্তির কথা জানাতে পারবেন। কোনো কিছু করতে না চাইলে তা বলার অধিকারও তাদের থাকা জরুরি।

বিজয় ও রাশমিকার এই বক্তব্যে চলচ্চিত্রে অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য, সম্মতি ও পেশাদারত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তাদের মতে, কোনো পোশাক বা দৃশ্য নিয়ে অস্বস্তি থাকলে তা প্রকাশ করার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা