শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের দায়ে নেপালে ১০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার কী আছে পুতিনের ‘চলন্ত দুর্গ’ অরাস সেনাট লিমোজিনে? ইয়েমেনে হুথিদের অবস্থানে হামলার দাবি সরকারি বাহিনীর ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় পড়লে আল্লাহর সাহায্য চাইবেন যেভাবে ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ হুথিদের ঠেকাতে ট্রাম্পের সামরিক সহায়তা চাইলেন সৌদি যুবরাজ দুর্নীতির দায়ে দুই সাবেক ফুটবল প্রেসিডেন্ট আজীবন নিষিদ্ধ বিএনপির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের উপদেষ্টা হিসেবে রিজভীকে দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

কী আছে পুতিনের ‘চলন্ত দুর্গ’ অরাস সেনাট লিমোজিনে?

প্রতিবেদকের নাম

১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার সফরের সঙ্গে এসেছে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত বিশাল বহর। এর অন্যতম আকর্ষণ রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিশেষভাবে সুরক্ষিত অরাস সেনাট লিমোজিন, যেটিকে প্রায়ই ‘চাকার ওপর দুর্গ’ বা ‘ফোর্ট্রেস অন হুইলস’ বলা হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা বিদেশ সফরে নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার করলেও পুতিনের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও ব্যতিক্রমী। বিশ্বের অন্যতম কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত নেতাদের একজন পুতিন বিদেশ সফরেও নিজের সাঁজোয়া গাড়ি সঙ্গে রাখেন। তার বহরে সাধারণত প্রায় দুই ডজন গাড়ি থাকে।

অরাস সেনাট একটি পূর্ণ আকারের বিলাসবহুল লিমোজিন। রাশিয়ার অরাস মোটরসের তৈরি এই গাড়িটি রুশ রাষ্ট্রীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যামি, সোলার্স জেএসসি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাওয়াজুন হোল্ডিংয়ের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে।

২০১৮ সালে বাজারে আসে সেনাট। রুশ সরকারের জন্য বিলাসবহুল ও সাঁজোয়া গাড়ি তৈরির ‘কর্তেজ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এটি তৈরি করা হয়। গাড়িটির নকশায় সাবেক সোভিয়েত আমলের জিস-১১০ লিমুজিনের প্রভাব রয়েছে।

গাড়িটির দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৬৩০ মিলিমিটার, প্রস্থ ২ হাজার মিলিমিটার এবং উচ্চতা ১ হাজার ৭০০ মিলিমিটার। এর হুইলবেস ৩ হাজার ৩০০ মিলিমিটার। গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার এবং ঘণ্টায় শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৯ সেকেন্ড।

পুতিনের ব্যবহৃত সংস্করণটি অত্যন্ত ভারীভাবে সাঁজোয়া। বুলেটপ্রুফ ও বিস্ফোরণ প্রতিরোধী এই গাড়ি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থার কঠোর মান পূরণ করে। এতে সক্রিয় ক্রুজ নিয়ন্ত্রণ, লেন পরিবর্তনের সতর্কতা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ট্র্যাকশন নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত ব্রেকিং প্রযুক্তি রয়েছে।

নিরাপত্তার পাশাপাশি গাড়িটির ভেতরেও রয়েছে বিলাসবহুল ব্যবস্থা। উচ্চমানের চামড়ার আসন, কাঠের অলংকরণ এবং আধুনিক তথ্য ও বিনোদন ব্যবস্থা রয়েছে এতে। চরম আবহাওয়ার মধ্যেও চলাচলের উপযোগী করে গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে।

অরাস সেনাটের সঙ্গে পুতিনের নিরাপত্তাবহরও বিদেশ সফরে যায়। ফলে শুধু একটি বিলাসবহুল গাড়ি নয়, রুশ প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই এটি ব্যবহৃত হয়।

গত বছর চীনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের সময়ও গাড়িটি আলোচনায় এসেছিল। সে সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনের সঙ্গে একই অরাস সেনাটে ভ্রমণ করেছিলেন।

এবার ব্রিকস সম্মেলনে পুতিনের নয়াদিল্লি সফরেও তাই কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি নজর কেড়েছে রুশ প্রেসিডেন্টের বহুল আলোচিত এই ‘চলন্ত দুর্গ’।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা