মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

টিকটকার বাদলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী টিকটকার আঁখি পলাতক

প্রতিবেদকের নাম

কক্সবাজারের রামুতে বেলাল উদ্দিন জিহাদ ওরফে বাদল (২৫০ নামের এক টিকটকারের মরদেহ অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরোংলোয়া এলাকা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাদলের স্ত্রী, টিকটকার তাহেরা বেগম আঁখি পলাতক রয়েছেন ।

নিহত বাদল উপজেলার পূর্ব রাজারকুল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের ছেলে।তাহেরা বেগম আঁখির বাবার বাড়ি উপজেলার খুনিয়াপালং এলাকায়।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বাদল পেশায় ইজিবাইকচালক। স্বামী-স্ত্রী দুইজনেই টিকটকার হিসেবে সামাজিকভাবে পরিচিত। বুধবার সকালে তারা যে ভাড়া বাসা থাকতেন তার ভেতরন থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ থাকায় ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় মেঝের বিছানায় বাদলকে লেপ ও বালিশচাপা অবস্থায় মৃত পড়ে থাকতে দেখা যায়।

মরদেহে আঘাতের ধরন ও সুরতহাল প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিক ধারণার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, অন্তত ৩/৪ দিন আগে বাদলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এতে পঁচন ধরায় মৃতদেহ বিকৃত হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি বলেন, পরিবারের অমতে বাদল টিকটকার আঁখিকে বিয়ে করায় স্বজনরা বিষয়টি মেনে নেননি। এই নিয়ে বিরোধের জেরে বাদল তার স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন। গত ৪ মাস আগে স্বামী-স্ত্রী ওই ভাড়া বাসায় ওঠেন। সম্প্রতি তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। গত ৩-৪ দিন আগে রাতে দুইজনের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী তাহেরা বেগম আঁখি ঘরের দরজা তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, আঁখিকে গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন সম্ভব হবে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।আজ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা