পরনে শাড়ি। গলায় হার। সিঁথিতে সিঁদুর। ক্যামেরার সামনে এবং রাজনৈতিক মঞ্চে সবসময় এভাবেই দেখা যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুর দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলিকে। বিবাহবিচ্ছেদের পরও তিনি কেন সিঁদুর পরেন, তা নিয়ে অনেক চর্চা হয়। এবার সে বিষয়ে মুখ খুললেন গুণী এ অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রূপা বলেছেন, ‘আমি তো বিধবা নই, কেন সিঁদুর পরব না? আমি রূপা গাঙ্গুলি বিধবা হয়ে গেলেও সিঁদুর পরব। বেশ করি। আমি কুরুক্ষেত্র থেকে আনা মা ভদ্রকালীর নামে সিঁদুর পরি। আমার ভালো লাগে সিঁদুর পরতে, তাই পরি। ইচ্ছা করে পরি।’
সিঁদুর পরা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কাউকে জবাব দেব না। আমি কেন সিঁদুর পরি, কার জন্য পরি। আমি কি বিধবা? আর বিধবা হলেই বা কেন সিঁদুর পরবে না। আমি আমার মাকে জোর করে লাল টিপ পরাতাম বাবা চলে যাওয়ার পরেও। সুন্দর লাগে মেয়েদের শাড়ির সঙ্গে একটা লাল টিপ। কেন পরবে না? আমাদের মায়েরা সিঁদুর পরত না, আমি ওসব কেয়ার করি না। আমি সিঁদুর পরব ব্যস! কাউকে জবাব দেব না।’
১৯৯২ সালে পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখার্জিকে বিয়ে করেছিলেন রূপা। তবে সংসার বেশি বছর টেকেনি। ২০০৭ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাদের।
অতীতে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন রূপা। তার দাবি, সংসারের জন্যই নাকি নিজের অভিনয় ক্যারিয়ারে সমঝোতা করেছেন তিনি। সকাল ৯টার আগে কিংবা রাত ১০টার পর নাকি কখনও শুটিংয়ের শিডিউল রাখতেন না। শুটিং শেষ হওয়ার পর কোনোভাবেই সময় নষ্ট করতেন না।
তাঁর দাবি, সুখী সংসারের আশা একটি মেয়ের পক্ষে যা যা করা সম্ভব, তাই করেছিলেন। যদিও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারেননি। শেষমেশ বিচ্ছেদই হয় তার।