বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

৩০ বছর পূর্তিতে ‘ভাইকিংস’র বিশেষ আয়োজনে যা থাকছে

প্রতিবেদকের নাম

তিন দশকের পথচলা। অসংখ্য স্মৃতি, মঞ্চ মাতানো গান আর শ্রোতাদের ভালোবাসা। ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করা ব্যান্ড ভাইকিংস আগামী বছর পূর্ণ করবে ৩০ বছর। বিশেষ এই মাইলফলক উদযাপনে পুরোনো গানকে নতুন করে সাজাচ্ছে দলটি। পাশাপাশি নিজেদের দীর্ঘ পথচলার গল্প নিয়ে নির্মাণ করছে ৪৫ মিনিটের একটি সিনেমা। অ্যালবাম ও সিনেমা- দুটির নামই রাখা হয়েছে ‘ভাইকিংস রিপ্লেইড’।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে অ্যালবামটি। এর প্রায় এক সপ্তাহ পর মুক্তি পাবে সিনেমা। ব্যান্ডটির প্রথম দুই অ্যালবাম থেকে বাছাই করা ১১টি গান নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশ করা হবে। কোন গানগুলো থাকছে- তা এখনই প্রকাশ করতে চান না দলনেতা ও ভোকাল তন্ময় তানসেন। শ্রোতাদের জন্য চমক হিসেবেই রাখতে চান গানের তালিকাটি।

অন্যদিকে, ২০০০ সালে প্রকাশিত হয় ভাইকিংসের প্রথম অ্যালবাম ‘জীবনের কোলাহল’। পরের বছর আসে একক গান ‘ভালোবাসি যারে’। ২০০২ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘দিন যত দুঃখ তত’। এরপর দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে ২০১৫ সালে আসে তৃতীয় অ্যালবাম ‘রানআউট’। একই নামে একটি সিনেমাও পরিচালনা করেন তন্ময় তানসেন। সিনেমার ছয়টি গান নিয়ে প্রকাশিত হয় অ্যালবাম। পরে ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রকাশিত পাঁচটি একক গান নিয়ে আসে ‘বয়স যখন একুশ’।

এবারের আয়োজন অবশ্য একটু আলাদা। শুধু পুরোনো গান নতুন করে প্রকাশ নয়, ব্যান্ডের শুরুর দিন থেকে বর্তমান পর্যন্ত নানা অভিজ্ঞতাও উঠে আসবে সিনেমায়। সদস্যদের বন্ধুত্ব, হাসি-আনন্দ, দুঃখ-বেদনা, সাফল্য এবং ব্যান্ডের উত্থানের নেপথ্যের গল্প- সবই থাকবে এতে।

তন্ময় তানসেনের কথায়, গান তৈরি করা তাদের চেনা কাজ। কিন্তু সেটিকে সিনেমায় রূপ দিতে গিয়ে সংলাপ ও অভিনয়ের বিষয়গুলোও মাথায় রাখতে হয়েছে। অভিজ্ঞতাটি ছিল অন্য রকম, যদিও কাজটি তাদের নিয়মিত চর্চার জায়গা নয়।

‘ভাইকিংস রিপ্লেইড’ সিনেমায় ব্যান্ডের দীর্ঘ যাত্রার পাশাপাশি উঠে আসবে সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া সদস্যদের সম্পর্ক ও অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের আয়োজন তুলনামূলক নতুন হলেও আন্তর্জাতিক সংগীতজগতে ব্যান্ডের ইতিহাস নিয়ে সিনেমা নির্মাণের নজির রয়েছে।

ভাইকিংসের পরিচিত গানের তালিকায় রয়েছে ‘অপেক্ষা’, ‘অপেক্ষা ২’, ‘ঈশ্বর’, ‘যদি’, ‘ভয়’ ও ‘জীবনের কোলাহল’। এসব গান দিয়ে একসময় শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল দলটি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে মঞ্চে তাদের উপস্থিতি কমেছে। তন্ময় তানসেন জানান, ২০২৪ সালের পর স্টেজ শো অনেক কম করেছেন তারা। অ্যালবাম ও সিনেমার কাজ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন এই সময়টায়। নতুন দুই আয়োজন প্রকাশের পর আবারও মঞ্চের ব্যস্ততা বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য তন্ময় তানসেনের সঙ্গে ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করা ভাইকিংস ব্যান্ডে ছিলেন এলাহি আল শামস রিপ্পি, সায়মন মাজিদ, জনি, মাহবুব বিন মুতাহির বাবু ও সেতু চৌধুরী। সময়ের সঙ্গে পুরোনো সদস্যদের অনেকে দল ছেড়েছেন, কেউ মারা গেছেন। বর্তমানে তন্ময় তানসেনের সঙ্গে ব্যান্ডে রয়েছেন লিড গিটারিস্ট ফারুক হোসেন শুভ ও আজমাইন আদিল, বেজ গিটারিস্ট জিয়া সোপান, কি-বোর্ডিস্ট মাহবুব চৌধুরী এবং ড্রামার শুয়ে শুয়ে সিং সিং চৌধুরী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা