রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আর্জেন্টিনা সমর্থক সাংবাদিকদের হারালেন ব্রাজিল সমর্থক সাংবাদিকরা রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুততম হ্যাটট্রিকে রেকর্ড ফরাসি তারকা উসমান দেম্বেলের চট্টগ্রামে ৮০০ একর জমিতে হবে ‘চাইনিজ শিল্প পার্ক’, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিখোঁজ গণভোটের রায় নিয়ে প্রতারণা করলে, হাসিনার পরিণতি হবে তারেক জিয়ার বিশ্বকাপ থেকে ১২ দল আউট, নকআউট নিশ্চিত করল ২৮ দল বীমা খাতে আস্থা ফেরাতে ডিজিটাল রূপান্তর ও সুশাসনের বিকল্প নেই: ড. তিতুমীর তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন ইউনিকো হসপিটালে ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং কর্মশালা
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর কর্মচারীর আত্মহত্যাচেষ্টা

প্রতিবেদকের নাম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কার্যালয়ে গলায় ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। একই কক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে আত্মহননের চেষ্টারত অবস্থায় দেখতে পান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী।

আজ বুধবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমাম হোসাইন শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, ফজলুর রহমান আগে সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে তাকে পরে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। বদলির আগে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও আচরণে পরিবর্তন না আসায় বিভাগীয় সিদ্ধান্তে তাকে স্থানান্তর করা হয়। তবে এ বদলি মেনে নিতে না পেরে তিনি পুনরায় সমাজকল্যাণ বিভাগে ফেরার জন্য বিভাগের সভাপতির কাছে অনুরোধ করেন। এতে সম্মতি না মেলায় ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই তিনি এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভবনের দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য বলেন, তিনি নিচতলায় দায়িত্ব পালনকালে কয়েকবার ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার শুনতে পান। পরে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ওপরে গিয়ে কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে এক শিক্ষার্থী দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরের অবস্থা দেখে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে কয়েকজন মিলে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষিকাকে মেঝেতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় অভিযুক্ত নিজ গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা