বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

গাজার শিশুদের জন্য দেড়কোটি টাকা অনুদান তুললেন হামজারা

প্রতিবেদকের নাম

যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজার শিশুদের জন্য ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার (১ লাখ পাউন্ড) বেশি অনুদান সংগ্রহের কথা জানিয়েছেন হামজা দেওয়ান চৌধুরী। এই কাজে অংশগ্রহণকারী, দাতা ও সমর্থকদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিম ক্রীড়াবিদদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং ধর্মীয় অনুশাসন পালনে সহায়তা করে আসছে নুজুম স্পোর্টস নামে একটি সংস্থা। প্রিমিয়ার লিগ ও ব্রিটিশ ফুটবলের বিভিন্ন ক্লাবে মুসলিম খেলোয়াড়দের অধিকার রক্ষায় তৈরি করা ‘মুসলিম অ্যাথলেট চার্টার’ এর জন্য প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত। হামজাও বিভিন্ন দাতব্য কাজে এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন হামজা। তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমরা গাজার শিশুদের জন্য ১০০০০০ পাউন্ডেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছি। যারা এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, অনুদান দিয়েছেন, সমর্থন জুগিয়েছেন এবং এই আয়োজনকে সফল করতে অবদান রেখেছেন, তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।’

‘এই ইভেন্টের মাধ্যমে আমার পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে যে সময় ও অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে, তার জন্য নুজুম স্পোর্টসকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। সংগৃহীত অর্থ ‘চিলড্রেন নট নাম্বারস’-এর অসাধারণ কর্মকাণ্ডে সহায়তা করবে। যারা গাজায় সরাসরি উপস্থিত থেকে সেখানকার শিশুদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে। এই শিশুদের অনেকের ক্ষেত্রেই বেঁচে থাকার একমাত্র আশা হলো চিকিৎসার জন্য তাদের অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া (মেডিকেল ইভাকুয়েশন)। সংগৃহীত পুরো অর্থ সেসব শিশুদের চিকিৎসার প্রয়োজনে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যয় করা হবে, যাদের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।’

এমন উদ্যোগ আরও নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে হামজা জানিয়েছেন, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা যা অর্জন করতে পেরেছি, তার জন্য আমি বিনম্র ও কৃতজ্ঞ। তবে আমি জানি, এত বিপুল দুঃখ-কষ্টের তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য একটি অবদান মাত্র। এখনও অনেক কিছু করা বাকি, কিন্তু প্রচেষ্টা যত ছোটই হোক না কেন পরিবর্তন আনতে পারে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন, ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই-বোনদের কষ্ট লাঘব করুন, তাদের শক্তি ও ধৈর্য দান করুন এবং তাদের জীবনে স্থায়ী শান্তি নিয়ে আসুন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা