বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

চা-বিরতির পর বৃষ্টিতে খেলা শুরুতে বিলম্ব, ফিফটি করে অপরাজিত ক্যাম্পবেল

প্রতিবেদকের নাম

মিরপুরে দ্বিতীয় দিনের খেলা নির্ধারিত চা-বিরতির ১০ মিনিট আগেই বন্ধ হয়ে যায় আলোর স্বল্পতায়। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা-বিরতি দিতে বাধ্য হন আম্পায়াররা। দ্বিতীয় উইকেটে জন ক্যাম্পবেল ও ত্যাগেনারিন চন্দরপল ৬০ রানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এগিয়ে নেন।

দিনের খেলা বন্ধ হওয়ার সময় ১ উইকেটে ৮৯ রান তুলেছে সফরকারীরা। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৮৩ রানে পিছিয়ে তারা। ক্যাম্পবেল ৫৩ এবং চন্দরপল ২১ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২৭২ রানে। দিনের শুরুতে ভালো অবস্থানে থাকলেও শেষ সাত উইকেটে মাত্র ৫৯ রান যোগ করতে পেরেছে স্বাগতিকরা।

বল হাতে পঞ্চম ওভারেই ব্র্যান্ডন কিংকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন হাসান মাহমুদ। তার বলে কিংয়ের ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে যাওয়া বলটি লুফে নেন বদলি উইকেটরক্ষক জাকের আলী।

তবে শুরুতেই জীবন পান ক্যাম্পবেল। নাঈম হাসান পয়েন্টে তার সহজ ক্যাচ ফেলেন। তখন ক্যাম্পবেলের রান ছিল ৫। নাঈমের বাঁ দিকে যাওয়া উঁচু শটটি তালুবন্দি করতে পারেননি তিনি। এরপর হাসান মাহমুদের সুইং সামলে বেশ স্বচ্ছন্দেই ব্যাটিং করেন ক্যাম্পবেল।

অন্যদিকে স্কয়ার কাটে কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন চার মারেন চন্দরপল। পরে ২২ রানে থাকতে দ্বিতীয়বার জীবন পান ক্যাম্পবেল। শরিফুল ইসলাম তার ফেরত ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন।

এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের টানা দুই বলে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ অর্ধশতক পূর্ণ করেন ক্যাম্পবেল।

দ্বিতীয় দিনের সকালে বাংলাদেশের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি ছিল সাদমান ইসলামের টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক। প্রথম দিন শেষে ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা সাদমান দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় বলেই দুই রান নিয়ে শতক পূর্ণ করেন। তবে এরপর অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের প্রথম টেস্ট শিকারে পরিণত হন তিনি। এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরার আগে ২৩৪ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ১০৫ রান করেন এই ওপেনার।

সকালে তাওহিদ হৃদয়ও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। বিশপের ফুল লেংথের বলটি কভার দিয়ে মারতে গিয়ে ব্যর্থ হন তিনি। প্রথম দিনের শেষ বিকেলে পেশিতে টান লাগায় স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল হৃদয়কে। দ্বিতীয় সকালে ব্যাটিংয়ে ফিরে মাত্র দুই বল খেলেই আগের দিনের ৪২ রানে থামেন তিনি।

এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস ষষ্ঠ উইকেটে ৩২ রান যোগ করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে মেহেদীকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন জোমেল ওয়ারিকান। তার ঘূর্ণি বল ব্যাট ও প্যাডের মাঝখান দিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে।

এরপর শামার জোসেফের আঘাতে আরও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নাঈম হাসান ও হাসান মাহমুদ দুজনই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরে ওয়ারিকানের জোড়া আঘাতে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। তাইজুল ইসলাম উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এরপর শরিফুল ইসলামকে এলবিডব্লিউ করে শূন্য রানে ফেরান ওয়ারিকান।

সব মিলিয়ে ৫৩ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে ইনিংস শেষ করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থবারের মতো এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা