সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ছুরিকাঘাতে আহত জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপপরিচালক পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে: ট্রাম্প ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক ‎আফজাল নাছের ফের ৩ দিনের রিমান্ডে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক স্বৈরাচারের ভূত গুপ্তদের ওপরেও ভর করেছে: প্রধানমন্ত্রী নিখোঁজের ২৫ দিন পর পুরোনা কবরে মিলল ভ্যানচালকের মরদেহ বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে আবুল হাশেমের মৃত্যু ছাগল চুরির অভিযোগে নারী-পুরুষকে গণপিটুনি চট্টগ্রাম বন্দরে ২ জাহাজের ডিজেল খালাস, জলসীমায় আরও তিন জাহাজ দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী কারাগারে, সম্পদ বাজেয়াপ্ত
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

প্রতিবেদকের নাম

বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামের এক ব্যবসায়ীর অন্তত দুইশ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কের পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনা জানাজানি হলে বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংকটি পরিদর্শন করেন। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

সুমন কুমার দাস জানান, বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকে তার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর তার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ কয়েকজন আত্মীয়ের ২০০ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। গতকাল বুধবার তাদের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান থাকায় তিনি ব্যাংকে এসে লকার খুলে দেখেন ভেতরে কোনো স্বর্ণালংকার নেই। লকার সম্পূর্ণ খালি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

পূবালী ব্যাংকের গ্রাহক মাহফুজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে এক গ্রাহকের স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার খবর পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারও এই ব্যাংকের লকারে স্বর্ণালংকার রাখা রয়েছে। তাই তিনি এসে নিজের লকার খুলে পরীক্ষা করেন। তবে তার স্বর্ণালংকার সব ঠিক আছে।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, এক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে তার কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল, যা তিনি এখন দেখতে পাচ্ছেন না। এ ঘটনার পরপরই পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ এসে বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করা হয়েছে। কীভাবে ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে এত বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা