দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক কৃষি পর্যটন (এগ্রো টুরিজম) প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’-এর নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামের বাঁকাদিঘীর পাড়ে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকল্পটির নির্মাণকাজের শুভ সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামানিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মনিয়া খানম, কাহালু থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আব্দুল মালেক এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস।
উদ্বোধনী পর্বে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, “কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি কৃষির অভিজ্ঞতাকে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরাই আমাদের মূল লক্ষ্য। স্মার্ট কৃষিই হবে বাংলাদেশের আগামীর ভিত্তি।” প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে প্রকল্পটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি গ্রামে ১ কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয়েছে এবং ৪১ জনের সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
শরীয়াহভিত্তিক ‘মুশারাকা’ মডেলে পরিচালিত এ প্রকল্পে ২১টি দেশ ও ৪২টি জেলার এক হাজারের বেশি মানুষ অংশীদার হয়েছেন। বগুড়া শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে নির্মিতব্য এ প্রজেক্টে থাকছে ১০০ রুমের এগ্রো রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন হল, সুইমিং পুল, বোটিং, ৪০০ গরুর খামার, বটম ক্লিন মাছের খামার, ১ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট ও একটি মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগে আটটি এগ্রো ভিলেজ গড়ে তোলা।