রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভুয়া বিল দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ, ৩ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত নগরে বাগান করে বেড়ানো রকিবুল পাচ্ছেন বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার মাটির ঘরের দেয়ালধসে স্কুলছাত্রী নিহত ১০ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা জাবের ও জুমার ব্যাংক ডাকাত-লুটেরাদের ‘ডিম থেরাপি’ দিতে বললেন এমপি রানু জুলাইয়ের অভিন্ন লক্ষ্য ছিল হাসিনার পতন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নতুন ভিসা নীতিমালা চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের সন্মানি বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাতযাপন না করার পরামর্শ অলি আহমেদের
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সুইস ব্যাংকে টাকা জমানোর রেকর্ড বাংলাদেশিদের

প্রতিবেদকের নাম

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে গত এক বছরে বাংলাদেশিদের টাকা জমানোর হিড়িক পড়েছে। আজ বৃহষ্পতিবার প্রকাশিত সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ইতিহাসে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জমার রেকর্ড বলে জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সুইস বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশি নাগরিক ও ব্যাংকগুলোর জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৪১ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ আমানতের পরিমাণ বেড়ে৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁতে পৌঁছেছে; যা বাংলাদেশি ১২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকার বেশি। বর্তমানে এক সুইস ফ্রাঁ বাংলাদেশি ১৫২ থেকে ১৫৩ টাকা। তবে বাংলাদেশে সুইস ফ্রাঁর খুব একটা প্রচলন নেই।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালের পর গত বছরই (২০২৫ সাল) বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ পরিমাণ (৮৭১.১ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ) অর্থ জমা হয়েছে সুইস ব্যাংকগুলোতে। গত ১০ বছরের মধ্যে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ও বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর টাকা জমার এই হার ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এতে বলা হয়, ২০২২ ও ২০২৩ সালে পরপর দুই বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গিয়েছিল। ওই দুই বছর যথাক্রমে সাড়ে ৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ ও পৌনে ২ কোটি সুইস ফ্রাঁ জমা ছিল।

উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অর্থ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে জমা হয়। বাংলাদেশের অনেক ব্যাংকও বৈধ পথে দেশটির ব্যাংকে অর্থ জমা রাখে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করে থাকে, এসব জমা হওয়া অর্থ যে দেশ থেকে আসে, তার দায় সে দেশের। এর মানে, সুইস ব্যাংকে রাখা সব অর্থ পাচার করা নয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার মানুষ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বৈধ-অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ গচ্ছিত রাখেন। দেশটির কঠোর গোপনীয় ব্যাংকিং নীতির কারণে সারা দুনিয়ার মানুষ সেখানে অর্থ জমা রাখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা