সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

‘আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন’

প্রতিবেদকের নাম

জুলাই আন্দোলনে ঢাকার বাড্ডা এলাকায় সোহেলী তামান্না হত্যাচেষ্টা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

‎আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন।

‎এদিন শুনানির সময় বিথী আদালতকে বলেন, ‘এভাবে আমাকে গ্রেপ্তার না দেখিয়ে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন?

‎গত ১৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই আমিনুর রহমান বিথীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ‎এদিন শুনানিকালে বিথিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

‎রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

‎রাষ্ট্রপক্ষের শুনানির পর অনুমতি নিয়ে কথা বলেন বিথী। তিনি বলেন, ‘এভাবে আমাকে গ্রেপ্তার না দেখিয়ে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন? আমার বাচ্চা আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি চাকরি করে চলি। এত টাকা কই পাবো?’

‎‎বিথী বলেন, ‘আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। ছাত্রলীগ, যুবলীগের সঙ্গে জড়িত থাকব কিভাবে? শুধুমাত্র বাবার কারণে আমাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে। আমার ১৩ বছরের একটা মেয়ে বাচ্চা আছে। এর আগে আমি একটি মামলায় জামিন পাই। পরে আবার সাজানো মামলা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘বারবার এত মামলা দেওয়ার কারণ কি জানি না। আমি সেদিন আমার বাবাকে দেখতে গেছিলাম। সেখান থেকেই আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। মেয়ে হিসেবে বাবাকে দেখতে যেতেই পারি। আমি জুলাইয়ের সময় পার্ট টাইম জবের জন্য সিলেট গেছিলাম।’

‎গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলা কারাগারের সামনে থেকে বিথীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎‎মামলার বিবরণ থেকে জানা যায় , জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বেলা ১১টায় ভাটারা থানার রাস্তার ওপর সোহেলী তামান্না আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর বেপরোয়াভাবে গুলি বর্ষণ ও হামলা করেন। আসামিদের ছোড়া গুলিতে সোহেলী তামান্না গুলিবিদ্ধ হন।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। ‎চিকিৎসা শেষে পরে ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা