সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

এবার চাঁদের দিকে হাত বাড়ালেন ট্রাম্প

প্রতিবেদকের নাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার চাঁদের মালিকানা দাবি করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চাঁদের একটি ছবি পোস্ট করে তার ওপর ‘চাঁদ আমাদের’ এবং পাশে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার ছবি যুক্ত করে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি।

চাঁদ নিয়ে ওই পোস্টের কয়েক মিনিট আগে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের জন্য নতুন কালো রঙের ইউনিফর্মের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবি প্রকাশ করেন। ইউনিফর্মের রংকে তিনি ‘স্পেস গ্রে, মিডনাইট ব্ল্যাক, সিলভার গ্রে ও সাটিন ব্ল্যাক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এতে কাঁধ ও কলারে প্রতীক, হাতায় প্যাচ এবং একটি বেল্ট রয়েছে।

ট্রাম্পের চাঁদ-সংক্রান্ত মন্তব্য ও নতুন ইউনিফর্মের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই ইউনিফর্মের সঙ্গে ‘স্টার ওয়ার্স’ চলচ্চিত্রের সাম্রাজ্যবাদী বাহিনীর পোশাকের মিল খুঁজে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ মজা করে জানতে চেয়েছেন, চাঁদের পর এবার কি মঙ্গল গ্রহ বা সূর্যও যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় যাবে।

তবে আন্তর্জাতিক আইনে চাঁদের মালিকানা কোনো দেশের দাবি করার সুযোগ নেই। ১৯৬৭ সালের ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ অনুযায়ী, কোনো দেশ সার্বভৌমত্ব, ব্যবহার বা দখলের মাধ্যমে চাঁদ কিংবা অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তুর ওপর মালিকানা দাবি করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ শতাধিক দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

একই ধারাবাহিক পোস্টে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকেও যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করেন। এর আগে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে তিনি প্রণালিটির নাম ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তিনি জানান, ওই প্রস্তাবটি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেননি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ করার প্রস্তাবও দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, অনেকেই নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং তার কাছে নামটি আরও মর্যাদাপূর্ণ ও সুন্দর মনে হয়েছে।

হোয়াইট হাউসও এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে একটি ছবি পুনঃপ্রকাশ করেছে, যেখানে ‘মেক্সিকো’ শব্দটি কেটে তার জায়গায় ‘আমেরিকা’ লেখা হয়েছে।

তবে নিউ মেক্সিকোর গভর্নর মিশেল লুজান গ্রিশাম প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, অঙ্গরাজ্যটির নাম নিয়ে কোনো বিতর্কের সুযোগ নেই এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও আগে থেকে এই নামের সঙ্গে তাদের ইতিহাস জড়িত। ট্রাম্প জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে মার্কিনদের মনোযোগ সরাতে চাইছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিউ মেক্সিকোর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবের আগে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে ট্রাম্প অন্টারিও হ্রদের নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ২৭ আগস্ট ওভাল অফিস থেকে এ ঘোষণা দেন তিনি।

অন্টারিও হ্রদ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী পাঁচটি বৃহৎ হ্রদের একটি। কানাডার অন্টারিও প্রদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে এর নামের মিল রয়েছে। হ্রদটির উত্তর-পশ্চিম তীরে অবস্থিত কানাডার টরন্টো শহর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা