বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জয়লাভের পর হাঁস কোলে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা

প্রতিবেদকের নাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। ফলাফলে জানা যায়, ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুমিন ফারহানা এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।

নির্বাচনের জয়ের পর তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাড়িতে হাঁস কোলে নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ ছাড়া বিএনপি থেকে বের হয়ে বিজয়ীর হাসি হাসার যাত্রাটা তার জন্য বেশ কঠিন ছিল বলে জানান তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। এই ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে। সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করবো আমি?’

এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বিভিন্ন জায়গায় দুপুরের পর ভোট ছাপানোর চেষ্টা হয়েছে। ফলাফল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে আমি নিজে গিয়েও খেজুর গাছের কর্মীদের সঙ্গে আমি নিজে মারামারি করেছি। মারামারি করে আমি কেন্দ্রে ঢুকেছি। আবার ভোট গুনিয়েছি। কিছু ফলস ভোট পেয়েছি। এগুলো সবই চ্যালেঞ্জ।’

নির্বাচনের আগে তিনি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো তিনি আদৌ রাখবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি দলীয় প্রার্থী না। আমায় যদি এলাকায় আরেকবার নির্বাচন করতে হয়, কাজ করা ছাড়া আমার হাতে আর কোনো অপশন নাই। আমার নিজেকে টিকে থাকতে হলে কাজ করতেই হবে।’

ভোটের মার্কা হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস-টাঁস পালা হলো না…কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেককিছু আছে। ওদের সঙ্গেই আমার অবসর সময় কাটে।’ হাঁসের সঙ্গে তার এই স্মৃতি-অভ্যাসের কারণেই তিনি হাঁসকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিএনপি তাকে ফেরাতে চাইলে তার নেতাকর্মীদেরও ফেরাতে হবে।’

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর রুমিন ফারহানা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন। যদিও একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন, ছিলেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদকও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত্রতত্র ময়লা-বর্জ্য ফেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), বিডি ক্লিন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ​আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির ৫টি অঞ্চলের ২২টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুরো এলাকাকে ১০টি ব্লকে বিভক্ত করে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ বা হটস্পটে কাজ করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা। সপ্তাহে সাত দিনই বিডি ক্লিনের ৭০ জন এবং রেড ক্রিসেন্টের ৫০ জনসহ মোট ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে থাকবেন। তারা নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার ব্যাপারে সচেতন করবেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারণা চালাবেন, ওয়েস্টবিনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন এবং সতর্কীকরণ নোটিশ প্রদান করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনকে জরিমানা করার সুপারিশও করবেন তারা। ​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি করপোরেশনের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ সমানভাবে প্রয়োজন। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’ ​তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার যে লক্ষ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করেছে, এই যৌথ উদ্যোগ তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই পরিচ্ছন্নতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।’ ​অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব জনাব মো. জয়নুল আবেদীনসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিডি ক্লিন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে আমরা