বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

দেশে এত মেধাবী চিকিৎসক, তবু রোগীরা বিদেশে যান কেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম

দেশে এত মেধাবী চিকিৎসক থাকার পরও চিকিৎসার জন্য রোগীদের ভারত, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে যেতে হয় কেন এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের চিকিৎসকরাই সফলভাবে উন্নত চিকিৎসাসেবা দিতে পারবেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে মানুষের মধ্যে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে আস্থা তৈরি করতে হবে। এতে রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমার পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। এ জন্য জেলা ও গ্রাম পর্যায়েও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বাজেটে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিতে না পারলে অনেক সময় সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হন। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় দেশের চিকিৎসকদের সক্ষমতা রয়েছে। এ চিকিৎসার জন্য রোগীদের দেশে উৎসাহিত করা হবে। ‘শতকরা ৮০টি ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য’।

দেশের জনসংখ্যার তুলনায় হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা কম উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু শয্যা সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, স্বাস্থ্যসেবার পরিধিও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও দক্ষ জনবল নিশ্চিত করতে হবে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডা. মুসারাত সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন। সেমিনারে মুখবন্ধ পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. উমা নাগ শম্পা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা