প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেনঢাকা দক্ষিনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং গাজীপুরের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে তার দেখা করে বলে জানান জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
সাক্ষাতের পর ঢাকার দুই মেয়র সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
ঢাকা দক্ষিনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, গত কয়েক মাসে যেভাবে রাজস্ব খাত থেকে কালেকশন আসার কথা সেইভাবে আসেনি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর কম হয়েছে। আমরা এই মুহুর্তে অর্থ সংকট পড়েছি। আমরা বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি।
আমরা উনার কাছে থোক বরাদ্দ চেয়েছি যাতে সিটি কর্পোরেশন চালানোর জন্য। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি যে আমাদের কনসার্ন যে মিনিস্ট্রি লোকাল গভার্মেন্ট মিনিস্ট্রি সেই মিনিস্ট্রিকেও যাতে উনি বলেন যাতে আমাদের বিভিন্ন প্রকল্পে বিভিন্ন কাজে যাতে আমাদের সহযোগিতা করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘‘ঢালাওভাবে তারা(বিগত প্রশাসক) যে সমস্ত ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছে সেটার ভিত্তিতে কাজ করলে সিটি কর্পোরেশন কলাপস করবে। সেটার কোনভাবে সেটা করা যাবে না।”
উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন করপোরেশনের অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, করপোরেশন এখন ভঙ্গুর অবস্থায়। ফান্ড নেই অথচ ১৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে সাবেক প্রশাসক যিনি ছিলেন তিনি ১০ তারিখে শেষ অফিস করে ৩৪টি ফাইল সই করে গেছেন যেখানে বিল দিতে হবে। আসলে কোন টাকাই নেই।
‘২৫ কোটি টাকা আছে। রাজস্ব শাখা থেকে আমি যেটা জানতে পেরেছি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ১৩ কোটি টাকা থেকে থাকবে ১২ কোটি…. বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কিভাবে করব।’
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন। আমরা হতাশ নেই এভাবেই আমরা এগিয়ে যাব জনকল্যাণে যতটুক সেবা দেওয়ার প্রয়োজন আছে আমরা সেই বা দেওয়ার জন্য আমরা নিজেকে আমরা প্রস্তুত করব এবং জনকল্যাণে আমাদের যে অঙ্গীকার আছে সেটাকে আমরা বাস্তবায়ন করব।’
দক্ষিনের প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথাটা হল একটাই যে, পরিচ্ছন্ন ঢাকা এবং সবুজায়ন ঢাকা এবং মশার উপদ্রুপ থেকে নগরবাসীকে রক্ষা… এই তিনটা বিষয়ের উপরে উনি জোর দিয়েছেন।’
‘সামনে যেহেতু বর্ষা আসতেছে এবং সামনে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে এই কারণে মশাকে যেকোনো ভাবেই হোক নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আর ঢাকাকে ক্লিন করতে হবে …ঢাকা শহর যে একটা বর্জ্যের একটা কারখানা হয়ে গিয়েছিলো। সেটা থেকে উত্তরন ঘটাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘‘আপনারা জানেন যে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর ও গাজীপুর সবাই মিলে আমরা চেষ্টা করছি যাতে অতি দ্রুত অন্তত আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটা সুন্দর ব্যবস্থায় আমরা আনতে পারি।’
‘মশক নিধনে ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন জায়গায় খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি। আমি ঢাকা শহর দক্ষিণে এক মাসের জন্য একটা ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করেছি।’