সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

‘ভাবনা’কে ‘একা’ সাজিয়ে ‎আদালতে নিয়ে যান ফুফু

প্রতিবেদকের নাম

‎প্রতারণার মামলায় বোন ভাবনা আক্তারকে আসামি শারমিন আক্তার একা সাজিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নিয়ে আসেন তার ফুফু লাইলী আক্তার মুন্নি। আজ বৃহস্পতিবার রিমান্ড ফেরত প্রতিবেদনে এমনটাই উল্লেখ করেছেন মামলার তদন্তকারী, কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম।

‎প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১২ মে শারমিন আক্তার একা ও লাইলী শাহনাজ খুশি নামে দুই আসামি আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। গত ১৪ মে ছিল রিমান্ড শুনানির দিন। ওইদিন একার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।

‎শুনানির সময় বাদী পক্ষের আইনজীবী আবেদন করেন, আসামির কাঠগড়ায় থাকা আসামি প্রকৃত পক্ষে শারমিন আক্তার একা নন। তার পরির্বতে অন্য কোনো নারী আদালতে আত্মসর্মপন করে জামিন নিয়েছেন। বাদী পক্ষের উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তিন দিনের মধ্যে এ আসামি প্রকৃত আসামি একা কি না, যাচাই করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। তখন তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে যাওয়ায় আসামির ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে গত ১৮ মে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।

‎রিমান্ড প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, রিমান্ডে আসামি জানিয়েছেন তিনি একা নন, একার বোন ভাবনা আক্তার। তিনি ডিভোর্সী। তিন বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায়। তার মা ও পাঁচ বছরের কন্যা সন্তান নিয়ে ওয়ারীর করাতিটোলায় থাকেন। মামলার ১ নম্বর আসামি মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের স্ত্রী, ৩ নম্বর আসামি শারমিন আক্তার একা, তার আপন ফুফাতো বোন হন। একার মা, ১৪ নম্বর আসামি লাইলী আক্তার মুন্নি ভাবনা আক্তারের ফুফু। ভাবনা মাঝেমধ্যে সোহেল ফকিরের পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসায় আসা যাওয়া করতেন।

ভাবনাকে তার ফুফু মুন্নি বলেন, ‘একার পরিবর্তে আদালতে আত্মসর্মথন করে শারমিন আক্তার একার রূপ ধারণ করে জামিন নিতে। এ বিষয়ে উকিলকে বলা হয়েছে। এর মূল পরিকল্পনাকারী সোহেল ফকির। সেই মতে ভাবনা তার ফুফুর সাথে আদালতে এসে আত্মসমর্থন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীর কাছে ভাবনা তার নাম শারমিন আক্তার একা বলে পরিচয় দেন, কিন্তু বিষয়টি আসামিপক্ষের আইনজীবী জানত না বলে জানা যায়। বিষয়টি জেনে নিজেকে মামলা থেকে প্রত্যাহারের আবেদন করেন।’

‎‎মামলায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ভাবনাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর ভাবনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

‎‎ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত ভাবনার জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা