ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুণ্ঠিত হবে আগামী১২ মে। ,আগামী ৮ এপ্রিল এ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংবিধানের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইসি এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনকমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সোমবার (৬ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত ১১তম কমিশন সভা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসি
সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে হয়ে ধাতে। সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী ৩০০ সংসদ সদস্যই এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে গণ্য হন। প্রতি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দের বিধান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণে সংসদ সচিবালয় শপথ গ্রহণকারী সংসদ সদস্যদের তালিকা তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে থাকে।
পরে রাজনৈতিক দলগুলোতাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাত অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকে। যদি কোনে দলের ৬ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে ওই দল থেকে একজন প্রার্থী সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হবেন। সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে সেই বিশেষ রাজনৈতিক দল থেকে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন এবং সেই দলের নির্বাচিত প্রতি ৬ জন সংসদ সদস্যদের ভোটে একজন বিজয়ী হয়ে সংরক্ষিত আসনের সদস্য হতে পারবেন।
যদি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান হয়, তবে নির্বাচন কমিশন সাধারণত প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে। সে ক্ষেত্রে সরাসরি ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ে না।
ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের ৩৬টি পাবে বিএনপি জোট। জামায়াত-এনসিপির জোট পাবে ১৩টি আসন। যদি স্বতন্ত্র সাত এমপি জোটবদ্ধ হন, তবে তারা একটি আসন পাবেন। জোটবদ্ধ না হলে তাদের প্রাপ্য আসনটি সর্বাধিক নারী আসন পাওয়া বিএনপি পাবে।