আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল সীমিত আকারে চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে আগামী বছরের মধ্যে ঢাকা–নিউইয়র্ক সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে ১০টি লিজকৃত উড়োজাহাজ যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্যের পাশাপাশি এভিয়েশন খাতের সার্বিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।
টার্মিনাল পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার কাজ জাপানি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্য চুক্তি সম্পাদনের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এছাড়া দেশের এভিয়েশন খাতকে গতিশীল করতে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আগামী অক্টোবরে চালুর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঈশ্বরদী বিমানবন্দরে দ্রুত ফ্লাইট পুনঃচালু, যশোরে বাণিজ্যিক ফ্লাইট বৃদ্ধি এবং বগুড়ায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ জোরদার করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় ও অধীন সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের গতিশীলতা ও সুসংহত সমন্বয় নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও কড়া জবাবদিহির মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কাজের সুবিধার্থে মন্ত্রী প্রতি পাঁচ কর্মদিবসের একদিন সরাসরি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) অথবা বিমানের কার্যালয়ে অফিস পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন।