ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রত্যাশিত ফল করতে না পেরে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচনে ‘কেটলি’ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ। সাতজন প্রার্থীর মধ্যে তিনি তৃতীয় অবস্থানে থাকেন।
এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভবে নির্বাচিত হয়েছেন।
অপরদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।
আজ শুক্রবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৪২ হাজার ১৫৫ জন। বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি, যা মোট ভোটারের ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সেই হিসেবে এই আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট, যা থেকে অনেক পিছিয়ে ছিলেন মান্না।
উল্লেখ্য, শুরুতে বিএনপির পক্ষ থেকে আসনটি নাগরিক ঐক্যকে ছেড়ে দেওয়ার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটি নিজস্ব প্রার্থী দেয়। এর আগে তিনি ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলেও নির্বাচন ব্যয়বহুল হওয়ায় সেখান থেকে সরে দাঁড়ান। পরে কোনো জোটে না গিয়ে বগুড়া-২ আসনে নিজ দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেন।