বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুতেই বুধবার রাত ১১টায় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। জয় দিয়েই বিশ্বকাপ শুরু করতে চায় ইংল্যান্ড। তবে তাদের জন্য ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ সহজ হবে না। যদিও গত আট বছর ধরে এ দলটির বিপক্ষে হারের রেকর্ড নেই ইংল্যান্ডের।
এ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া পরস্পরের বিপক্ষে ১১ ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ইংল্যান্ডের জয় ছয়টি; আর ক্রোয়েশিয়ার তিনটি। বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল ক্রোয়েটরা।
কোচ টমাস টুখেলের অধীনে বেশ ভালো খেলছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে আটটি জয় তুলে নেয় তারা। এক ম্যাচেও গোল হজম করেনি— এমন দারুণ এক রেকর্ড গড়া দলটি বিশ্বকাপেও সফল হতে চায়। ১৯৬৬ সালে একবারই বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দুবার বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে তারা। গত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় দলটি। তবে এবারের বিশ্বকাপে কোচ টুখেলের দল বড় স্বপ্ন দেখছে।
তবে সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্স টুখেলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। জাপানের কাছে ১-০ গোলে হার এবং উরুগুয়ের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে ইংল্যান্ড দলের দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। এখনো দলটির মূল অস্ত্র স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কেটেছে তার। ৬১ গোল করা কেইন এখন সেরা ফর্মে আছেন।
তাকে ঘিরেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে ছক কষছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে গত বিশ্বকাপে দুরন্ত ছিল ক্রোয়েশিয়া। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল তারা। এবারও দলটি নতুন সাজে সজ্জিত। এ বিশ্বকাপে শেষবারের মতো খেলবেন ক্রোয়েশিয়ার প্রাণভোমরা লুকা মদ্রিচ। ৪০ বছর বয়সেও এসি মিলানের এই কিংবদন্তি অবিশ্বাস্য দৃঢ়তা প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে ইভান পেরিসিচের দারুণ সমন্বয় মাঠে ভালো ফল পেতে পারে ক্রোয়েশিয়া। তাদের বলের নিয়ন্ত্রণ ও গতি ইংল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।