শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ‘শক্তিশালী’ হামলা ইসরায়েলের

প্রতিবেদকের নাম

ইরানের একটি প্রধান এবং বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ‍‘শক্তিশালী’ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (৬ এপ্রিল) এ হামলা চালানো হয় বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

সোমবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তারা ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) ‘সর্বশক্তি দিয়ে’ ইরানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আইডিএফ এখন আসালুইহে অবস্থিত ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে। এই স্থাপনাটি দেশের প্রায় অর্ধেক পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন করত।’

কাৎজ বলেন, ‘নতুন এই হামলাটি ‘গত সপ্তাহে’ আরেকটি স্থাপনায় হওয়া হামলারই ধারাবাহিকতা।’

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, ‘এখন ওই দুটি স্থাপনা মিলেই ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ। হামলার পর এগুলোর পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে সেগুলো অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি ইরানি শাসকগোষ্ঠীর জন্য কয়েক হাজার কোটি ডলারের এক মারাত্মক অর্থনৈতিক আঘাত। বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর কার্যকলাপের অর্থায়ন এবং ইরানের সামরিক শক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প একটি প্রধান চালিকাশক্তি।

এদিকে দুটি পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানিতে হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

গত ১৮ মার্চ ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রতিবাদের কয়েক সপ্তাহ পর সোমবারের এই প্রতিবেদনগুলো সামনে এলো। এর জবাবে তেহরান ওই সময় কাতারের একটি জ্বালানি কেন্দ্রে হামলা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছিল।

জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর এই হামলাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যার জবাবে ইরান ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করেছিল। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যায় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, সাউথ পার্সের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি আগে থেকে জানতেন না।

এই ঘটনার জের ধরে প্রশ্ন ওঠে যে, নিজেদের যুদ্ধ লক্ষ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র কতটা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে; পরবর্তীতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল ‘একাই পদক্ষেপ নিয়েছিল’।

এদিকে রোববার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (মঙ্গলবার রাত ৮টা) হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করা হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা