চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এখন থেকে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি প্রবেশ করতে পারবে না। হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে উনাদের কোনো কাজ নেই। রোগীদের ওষুধ লিখে দিতে পড়াশুনা করেই চিকিৎসক হয়েছেন।
এ সময় চিকিৎসকদের কাছে অনুরোধ করে তিনি বলেন, আপনারা সঠিক সময়ে হাসপাতালে আসবেন। দায়িত্বপালনের সময়ে বাইরের কোনো চিকিৎসাকেন্দ্রে রোগী দেখবেন না।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্টি চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে সরকারি হাসপাতাল থেকে রেফার করা রোগীদের প্যাথলজি পরীক্ষায় প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য বলেন, হাসপাতালের সামনে কোনো দালাল কিংবা ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদেরকে দেখতে চাই না। গণমাধ্যমে যারা কাজ করে তাদের প্রতি অনুরোধ দালালদের দেখলে ছবি তুলে পুলিশের কাছে দেবেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। আমাকেও জানাতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, চাঁদপুর শহরে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ লোকের বসবাস। যে কারণে হাসপাতালে যে পরিমাণ চিকিৎসক ও জনবল রয়েছে, তাতে সেবা দিতে গিয়ে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। এরপরেও আপনারা আন্তরিক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, সেজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
শেখ ফরিদ আহমেদ চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে সাধারণ রোগীদের জন্য ৩০ভাগ ছাড়ে পরীক্ষা করার সুযোগ খুবই ভালো উদ্যোগ। এই ধারাবাহিকতা চালু রাখতে হবে। তাহলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. নুর আলম দীন। চিকিৎসক কাজলের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান,প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোবারক হোসেন।
এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহিন, কমিটির সদস্য এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।