মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিজয় দিবসের আগেই বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের নতুন ভাস্কর্য, কমিটি গঠন এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন গ্রেপ্তার কর্মসংস্থানে সমতার অঙ্গীকারে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হলো স্বপ্ন আকস্মিক স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও এপস্টেইনের মডেল সরবরাহকারী সিয়াদের রহস্যজনক মৃত্যু! চুরির মামলায় ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও তার পিএস রিমান্ডে বাংলাদেশের সংকটকালে চীন বরাবরই পাশে রয়েছে: রাষ্ট্রদূত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে অনশন ভাঙবেন সোনম ওয়াংচুক
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিশ্বকাপ ট্রফির আসল মূল্য কত?

প্রতিবেদকের নাম

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা তুঙ্গে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে, আর ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, স্পেন ও পর্তুগালকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। জার্মানি ও ব্রাজিলের মতো পরাশক্তি দলগুলো এবার কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও চমক দেখানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

তবে বিশ্বকাপের সবচেয়ে মূল্যবান প্রতীক—ট্রফির প্রকৃত দাম কত, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র এর নির্মাণ উপকরণের ভিত্তিতে বর্তমান বাজারে ট্রফিটির মূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি এবং এর সূক্ষ্ম কারুকাজের কারণে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে আসল সত্য হলো, এর প্রকৃত মূল্য আরও অনেক বেশি। যদি এই ট্রফিটি নিলামে তোলা হতো, তাহলে এর দাম সহজেই ২ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারত।

বিশ্বকাপ ট্রফি কী দিয়ে তৈরি?

বিশ্বকাপ ট্রফিটির উচ্চতা প্রায় ৩৭ সেন্টিমিটার এবং এটি তৈরি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে। এর ওজন প্রায় ৬ কিলোগ্রাম। ডিজাইনে দেখা যায় দুটি মানবাকৃতি পৃথিবীকে ধারণ করে আছে, যা ফুটবলের বৈশ্বিক ঐক্যকে প্রতিফলিত করে।

ট্রফিটি পুরোপুরি কঠিন স্বর্ণ দিয়ে তৈরি নয়; এটি ভেতরে ফাঁপা। নইলে এর ওজন এত বেশি হতো যে খেলোয়াড়দের পক্ষে তা তোলা কঠিন হয়ে যেত। ট্রফির নিচের অংশে সবুজ আধা-মূল্যবান পাথর ম্যালাকাইটের দুটি স্তর রয়েছে।

১৯৭০ সালে ফিফা একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজানিগাকে এই ট্রফির নকশার দায়িত্ব দেয়। এর আগে ব্যবহৃত জুলে রিমে ট্রফি ১৯৭০ সালে তৃতীয়বার শিরোপা জেতার পর ব্রাজিলকে স্থায়ীভাবে দেওয়া হয়।

বর্তমান ট্রফিটি প্রথম জয় করে পশ্চিম জার্মানি, ১৯৭৪ সালে অধিনায়ক ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের নেতৃত্বে।

আসল ট্রফি চ্যাম্পিয়নরা পায় না

একটি কম জানা তথ্য হলো, বিজয়ী দল আসল ট্রফিটি নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। ফিফা মূল ট্রফিটির মালিকানা নিজের কাছেই রাখে এবং ফাইনাল শেষে সেটি সুইজারল্যান্ডের জুরিখে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বিজয়ী দেশকে দেওয়া হয় স্বর্ণপ্লেটেড ব্রোঞ্জ দিয়ে তৈরি একটি প্রতিরূপ ট্রফি, যা তারা নিজেদের দেশে নিয়ে যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা