রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের

প্রতিবেদকের নাম

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের সামনে হ্যাট্রিক শিরোপা জেতারসুযোগ। তবে ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের।

ভারতের গোয়ায় জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় ম্যাচটি।

১-১ গোলের সমতায় ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছিল। পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা।

ম্যাচের প্রথম দিকে তহুরার দুটি সহজ সুযোগ নষ্টের খেসারত বাংলাদেশকে দিতে হয়েছে। ম্যাচের ১২ মিনিটে ঋতুপর্ণা বাম দিক দিয়ে ঢুকে বক্সে বল ফেলেন তহুরার উদ্দেশ্যে। তহুরা বল দারুণ ক্রস দিয়েছিলেন। তবে শামসুন্নাহার জুনিয়র বল-পায়ে সংযোগ ঘটাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথম সহজ সুযোগ নষ্ট হয়। দুই মিনিট পর তহুরা এককভাবে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। ভারতের ডিফেন্ডার জুলি কিশান শট নেওয়ার সুযোগই দেননি তহুরাকে।

৩০ মিনিটে আভিকা শিংয়ের হেডে পরাস্ত হয়েছিলেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। তবে বল ক্রসবার ঘেঁষে বাইরে চলে গেলে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। মানিষা একা পেয়েছিলেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলিকে। শটও নিয়েছিলেন। তবে মিলি ডান দিকে ঝাপিয়ে দুর্দান্তভাবে সেভ করেন।তবে লিড নিতে বেশি সময় নেয়নি ভারত। ৪২ মিনিটে পিয়ারি শাশা স্বাগতিকদেনর এগিয়ে দেন। মাঝমাঠ থেকে আসার বল ধরে প্রথমে শামসুন্নাহারকে কাটিয়ে ঢুকে পড়েন। আফরিন চেষ্টা করিছিলেন আটকাতে। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের মাথার ওপর দিয়ে পিয়ারি বল পাঠিয়ে দেন জালে। মিলি হাত লাগানোর চেষ্টা করেও পারেননি।

ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটেই বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান ঋতুপর্ণা চাকমা। তহুরা খাতুনের ডিফেন্সচেরা পাস ধরে ঋতুপর্ণা গোলরক্ষকের বাম দিক দিয়ে নিঁখুত প্লেসিংয়ে বল পাঠান জালে। ঋতুপর্ণার গোল মানেই দর্শণীয়। ফাইনালে তা দেখালেন আরেকবার।

বিরতির পর খেলা শুরুর প্রথম মিনিটেই এগিয়ে যায় ভারত। ডান দিক থেকে উড়ে আসা বলে হেড করে সানফিদা স্বাগতিকদের আবার এগিয়ে দেন।৫১ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। ঋতুপর্ণার কর্নারে শামসুন্নাহার হেড নিলেও পোস্টে রাখতে পারেননি। বল চলে যায় ক্রসবারে বাতাস দিয়ে বাইরে। ৫৭ মিনিটে মারিয়া মান্দার শট অসাধারণভাবে রুখে দিয়েছেন ভারতের গোলরক্ষক পান্থই ঝানু।

৮২ মিনিটে মালাভিকাকে আটকাতে ব্যর্থ হন আফঈদা। মালাভিকা বল ঠেলে দেন বক্সের মাথায়। লিন্দা কম সহজেই বল পাঠিয়ে দেন জালে। ভারত ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ফাইনাল নিয়ে হাতের মুঠোয়।

ইনজুরি সময়ে ভারত চতুর্থ গোলও পেতে পারত। একটি কর্নার থেকে দুই দুইবার সুযোগ এসেছিল। একবার গোলরক্ষক মিলি আরেকবার কোহাতি কিসকু সেভ করেন। ইনজুরি সময়ের চতুর্থ মিনিটে সাগরিকার হেড ভারতের গোলরক্ষক গ্রিপে নিলে ব্যবধান কমানোর সুযোগ নষ্ট হয় বাংলাদেশের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা