ঢাকার কেরানীগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নেওয়াকে কেন্দ্র করে এনসিপির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শহীদ মিনারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক এবং ঢাকা জেলা দক্ষিণ জাতীয় যুবশক্তি আহ্বায়ক শেখ ফয়সাল বলেন, ‘তারানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেনের সমর্থকরা মোবাইল চুরির গুজব ছড়িয়ে আমাদের একাধিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে জাতীয় ছাত্র শক্তির দক্ষিণ থানার আহ্বায়ক রতন হোসেন, ইনজামুল হক, সাফায়েত ঢালী, সাব্বির আহমেদ ও তাহমিদ চৌধুরী অরণ্যসহ আহত হন আরও বেশ কয়েকজন।’
এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইমরান হোসেন বলেন, ‘গত বছর তারানগর ইউনিয়নের মিলেনিয়াম সিটির হাটের সবচেয়ে বেশি দর দিয়ে ইজারা পান এনসিপির সমর্থকরা। এবারও এনসিপির পক্ষ থেকে ইজারা নেওয়ার জন্য সকাল থেকেই আমাদের নেতাকর্মীরা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় জড়ো হন। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা করে। ছাত্রদল পরিচয় দেওয়া কিশোরগ্যাং সদস্য ইসরাফিল ও রাকিব প্রথমে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের কয়েজন কর্মী গুরুতর আহত হন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তারানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। উল্টো ঘটনাস্থল থেকে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। পরে আমি মোবাইল হারানোর জিডি করতে থানায় চলে যাই।’
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওমর ফারুক বলেন, ‘হট্টগোলের ঘটনা আমি শুনেছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’