মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ছুরিকাঘাতে আহত জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপপরিচালক পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে: ট্রাম্প ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক ‎আফজাল নাছের ফের ৩ দিনের রিমান্ডে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক স্বৈরাচারের ভূত গুপ্তদের ওপরেও ভর করেছে: প্রধানমন্ত্রী নিখোঁজের ২৫ দিন পর পুরোনা কবরে মিলল ভ্যানচালকের মরদেহ বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে আবুল হাশেমের মৃত্যু ছাগল চুরির অভিযোগে নারী-পুরুষকে গণপিটুনি চট্টগ্রাম বন্দরে ২ জাহাজের ডিজেল খালাস, জলসীমায় আরও তিন জাহাজ দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী কারাগারে, সম্পদ বাজেয়াপ্ত
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বাক্‌প্রতিবন্ধীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার ২ নম্বর হাফছড়ি ইউনিয়নের ২১ বছর বয়সী বাক্প্রতিবন্ধী তরুণী নিখোঁজ হন। নিখোঁজের সাত দিন পর গতকাল সোমবার সকালে রহস্যজনকভাবে তাকে জালিয়াপাড়া এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকছড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দে পর উন্নত চিকিৎসা ও ডিএনএ টেস্টের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে ভুক্তভোগীর বাসায় গিয়ে দেখা যায়, হাতে স্যালাইন লাগানো অবস্থায় মন্দিরে বারান্দায় পড়ে আছেন ভুক্তভোগী। ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীর কাছে জানতে চাইলে বাক্‌প্রতিবন্ধী হওয়ায় কিছুই বলতে পারেননি।

জানা যায়, গত ৩ মার্চ জালিয়াপাড়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের উৎকণ্ঠা, এলাকাজুড়ে খোঁজাখুঁজির পর জালিয়াপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ভুক্তভোগীর হাতে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে গড়াইছড়ি এলাকা থেকে অংক্যজাই মার্মা (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। তিনি মহালছড়ি উপজেলার তিন্দুক ছড়ি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আটক ব্যক্তির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ক্যজই মার্মা (৫০) ইতোমধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ উঠেছে আটক ব্যক্তিকে সরাসরি আইনের হাতে সোপর্দ করার বদলে তাকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হেফাজতে রাখা হয়েছে। কয়েকজন প্রভাবশালী পুরো ঘটনাকে সামাজিক সমঝোতার মাধ্যমে মিমাংসা করার চেষ্টা করছেন। ভুক্তভোগীর পরিবারকে আইনি পথে না যেতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা তার মেয়ের নির্যাতনের বিচার দাবি করে বলেন, ‘আমার মেয়ে একজন বাক্‌প্রতিবন্ধী। সে নিজের কষ্টটুকুও ঠিকভাবে ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অংকজায় আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে নির্য়াতন করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’

উত্তর হাফছড়ি পাড়া ধর্মরক্ষিত বৌদ্ধ বিহারের নেনাচরা ভান্তে বলেন, ‘মেয়েটিকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনা অপ্রত্যাশিত আমরা এর বিচার চাই।’

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেহরাওয়ার্দি বলেন, মেয়েটি হারানো গছে মর্মে একটি জিডি করা হয়েছিল। ধর্ষণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা