যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনের ৫টিতে জামায়াত ও ১টিতে বিএনপির প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আজীজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)। তিনি ভোট পেয়েছেন ১,১৮,২৫৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ)। তার প্রাপ্ত ভোট ৯২,৯০৯।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ১,৭১,৯৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (দাঁড়িপাল্লা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবিরা সুলতানা ওরফে সাবিরা সুলতানা মুন্নি (ধানের শীষ)। তিনি ভোট পেয়েছেন ১,৪৬,৩২২।
যশোর-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ)। তিনি ভোট পেয়েছেন ১,৭৩,০২৩। জামায়াতের আব্দুল কাদের ওরফে ভিপি কাদের (দাঁড়িপাল্লা) ১,৬৫,১২৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক গোলাম রসুল (দাঁড়িপাল্লা)। তার প্রাপ্ত ভোট ১,৭৫,২৪২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজী (ধানের শীষ)। তিনি ভোট পেয়েছেন ১,২৭,৩০৪।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ১,৩০,৫৯৬ ভোট পেয়ে জামায়াতের গাজী এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) অ্যাড. শহীদ মো. ইকবাল হোসেন (কলস)। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৪,২৭৬।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন ৯১,০৩৭ ভোট পেয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯১৬৯ ভোট।