লাল-সবুজের জার্সিতে শেষবার ২০২৪ সালে মাঠে নেমেছিলেন সাকিব আল হাসান। তারপর কেটে গেছে সময়, বদলেছে অনেক দৃশ্যপট কিন্তু বদলায়নি একটাই প্রশ্ন—কবে আবার জাতীয় দলে ফিরবেন সাকিব?
মামলার জটিলতায় দেশের মাটিতে পা রাখা হয়নি তার। একবার দেশে ফেরার ইচ্ছায় দুবাই পর্যন্ত এসেও শেষ মুহূর্তে বদলাতে হয়েছিল সিদ্ধান্ত। সেই ঘটনাই যেন আরো বাড়িয়ে দিয়েছে অনিশ্চয়তার কুয়াশা।
ভক্তদের অপেক্ষা তাই দীর্ঘতর, প্রত্যাশা আরো তীব্র।
সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে সাকিবের দেশে ফেরা। গুঞ্জন ছিল, দ্রুতই ফিরবেন এমনকি পাকিস্তান সিরিজেও দেখা যেতে পারে তাকে। কিন্তু আশার আলো জ্বলতেই শুরু হয়েছে ‘যদি-কিন্তু’র হিসাব।
এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মুখ খুলেছেন ফারুক আহমেদ। ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রীড়া সাংবাদিক সমিতি (বিএসজেএ)-এর ইফতার অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, ‘সাকিবের ব্যাপারটা ক্রিকেট বোর্ড থেকে যা যা করার দরকার, মামলার কাগজপত্রগুলো জায়গা মতো দেওয়া হয়েছে। এখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে এবং অবশ্যই আমরা আমাদের ক্রিকেট বোর্ড থেকে যে কাজটা করার ছিল, সেটা করে ফেলেছি।’
ফারুকের বক্তব্যে স্পষ্ট ক্রিকেট বোর্ড তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে, এখন সিদ্ধান্ত সরকারের কোর্টে।
অর্থাৎ সাকিবের ফেরা শুধুই ক্রিকেটীয় ইস্যু নয়, প্রশাসনিক বাস্তবতাও জড়িয়ে আছে এতে।
তবে কথার শেষটা ফারুক আহমেদ টেনেছেন এক আবেগী আহ্বানে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি যে, আমরা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট যারা আছি, ক্রিকেট বোর্ড খেলোয়াড় সাংবাদিক যারাই আছেন। ক্রিকেট সংক্রান্ত সবার সাথে একটা সুষম থাকা খুবই জরুরি। কেননা আমাদের সবার লক্ষ্য কিন্তু একটাই।
’
সেই লক্ষ্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাফল্য। আর সেই স্বপ্নপূরণের পথে সাকিব আল হাসানের মতো একজন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন প্রশ্ন একটাই, অপেক্ষার অবসান কবে? আবার কবে দেখা যাবে সাকিবকে লাল-সবুজের জার্সিতে, গ্যালারিভরা দর্শকের সামনে? সময়ই দেবে সেই উত্তর।