মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ছুরিকাঘাতে আহত জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপপরিচালক পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে: ট্রাম্প ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক ‎আফজাল নাছের ফের ৩ দিনের রিমান্ডে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক স্বৈরাচারের ভূত গুপ্তদের ওপরেও ভর করেছে: প্রধানমন্ত্রী নিখোঁজের ২৫ দিন পর পুরোনা কবরে মিলল ভ্যানচালকের মরদেহ বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে আবুল হাশেমের মৃত্যু ছাগল চুরির অভিযোগে নারী-পুরুষকে গণপিটুনি চট্টগ্রাম বন্দরে ২ জাহাজের ডিজেল খালাস, জলসীমায় আরও তিন জাহাজ দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী কারাগারে, সম্পদ বাজেয়াপ্ত
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের দাবি

প্রতিবেদকের নাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সন্তানদের ভর্তি ব্যবস্থা বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংগঠনের নেতারা।

আজ বৃহস্পতিবার এ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিতভাবে জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে চলমান ভর্তি প্রক্রিয়ায় ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে উপাচার্যের কাছে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি ব্যবস্থা। পৃথিবীর বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ব্যক্তিরা তাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। যেমন—ব্যাংক কর্মকর্তারা সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পান, রেলওয়ের কর্মীরা যাতায়াতে ছাড় পান এবং হাসপাতালের কর্মীরা পরিবারের জন্য বিশেষ চিকিৎসা সুবিধা পেয়ে থাকেন। তেমনি বিশ্বের অনেক খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়েও কর্মীদের সন্তানদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

নেতারা আরও বলেন, চাকরির কোটা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার বিষয়টি এক নয়। চাকরির ক্ষেত্রে কোটা থাকলে প্রতিযোগিতার সুযোগ কমে যায়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় সন্তান ভর্তি অন্য কোনো শিক্ষার্থীর সুযোগ কমায় না। কারণ এতে নির্ধারিত আসন সংখ্যা কমে না কিংবা অন্য শিক্ষার্থীর অধিকারও ক্ষুণ্ণ হয় না।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে এই প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাকে এক করে দেখা দুঃখজনক এবং এটি একটি ভুল ধারণা। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিন সেবা দেওয়া কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সন্তান ন্যূনতম যোগ্যতা নিয়ে এখানে পড়ার সুযোগ পেলে তা মানবিক ও সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

নেতারা আরও বলেন, যে সুবিধা একজন কর্মীর প্রাপ্য, তা বাতিলের দাবি তোলা ন্যায্য নয়—বিশেষ করে যখন এতে অন্য কারও অধিকার ক্ষুণ্ণ হয় না। তাই বিষয়টি নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক না তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেন তারা।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন জাবি অফিসার সমিতির সভাপতি মো. আজমল আমীন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম মিয়া, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ এবং কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল আহছান বেপারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা