রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

কনের গায়েহলুদ শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল বরের

প্রতিবেদকের নাম

বৌ-ভাতের আগের দিন গতকাল শনিবার রাতে কনের বাড়িতে আয়োজন করা হয় গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। সেখানে এসেছিলেন বর। তবে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে প্রাণ গেছে তার। নতুন বিয়ের পুরো আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে, দুই পরিবারেই চলে শোকের মাতম।

বর ও কনে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় দুই দিন আগেই চুপিসারে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কনে বরের বাড়িতে না গেলেও হয়েছেন বিধবা। এতে এক পরিবারে ছেলে হারানোর শোক, অপর পরিবারে সদ্য বিয়ে হওয়া কনের স্বামী হারানোর শোক চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিহত বরের নাম মাহিন। সে রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আর কনে মিফতাহর বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডে।

কনের বাড়িতে দেখা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠানে রান্নার জন্য কনের বাড়িতে নিয়ে আসা হাড়ি-পাতিল এলোমেলো অবস্থায় রয়েছে। খালি পড়ে আছে বরের বসার স্থান। দাওয়াতি মানুষকে বসানোর জন্য আনা প্লাস্টিকের চেয়ারগুলোও বিছানো হয়নি।

নিহত বরের এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির জানান, গায়েহলুদ থেকে ফেরার পথে এক কিশোর মারা গেছে। তার বয়স কম ছিল। দুদিন আগেই তার বিয়ে হয়েছিল। এরপরও আনুষ্ঠানিকতার জন্য কনের বাড়িতে গায়েহলুদের আয়োজন হয়। সেখানে ওই ছেলে অংশগ্রহণ করে। রাতে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলেটি মারা যায়। তার দাফনও সম্পন্ন হয়েছে।

কনের মামা জাহেদুন সোহেল জানান, তার ভাগনির গত রাতে গায়েহলুদ ছিল। সেখানে বরও আসে। কিন্তু রাতে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা বর মারা যায়। সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় বেড়ির মাথা-মোল্লারহাট সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও জানান, বর ও কনের বয়স ১৪-১৫। এজন্য দুদিন আগেই তাদের বিয়ে হয়। রোববার বৌ-ভাত ছিল। শনিবার রাতে গায়েহলুদে সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। কিন্তু অনুষ্ঠান শেষে সব আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের খবর শুনেছি। তবে মরদেহ কোথায় নেওয়া হয়েছে, সেই খোঁজ পাওয়া যায়নি। আর বিস্তারিত ঘটনাও জানা নেই।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা