সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ড. ইউনূসসহ ২৭ জনের নামে মামলার আবেদন খারিজ

প্রতিবেদকের নাম

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তামান্ন চৌধুরী প্রিয়াংকা নামের একজন এই মামলার আবেদন করেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন। পরে দুপুরে মামলা গ্রহণ করার মতো উপদান না থাকায় খারিজ করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ.কে.এম শরীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামির হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা ড. রিজওয়ানা হাসান, ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুহ সজিব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন, আব্দুল হান্নান মাসউদ, হাসনাত আব্দুল্লাহ, এনসিপি নেতা সারজিস আলম, সামান্থা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অব. কর্ণেল নুরনবী, তাহরীমা জান্নাত (সুরভী), বুলডোজার সাপ্লাইয়ার মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়া আরও ৩০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূসসহ ৯ জনের মদদ, উসকানিতে এবং সার্বিক সহযোগিতায় অন্য আসামিরা লাঠিসোটা, হাতুড়ি, দাহ্য পদার্থসহ অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযদ্ধ, স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরব উজ্জলের সূতিকাগার এবং ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আক্রমণ চালায়। তারা ভবনে ঢুকে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে ঐতিহাসিক নিদর্শন, দলিল, মুক্তিযুদ্ধের দলিল, প্রামান্যচিত্র, বই-পুস্তকসহ মূল্যবান সম্পদের ক্ষতিসাধন করে, লুটপাট করে নিয়ে যায়। ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর দুটি বুলডোজার, এক্সচেনেটার, হামার এবং ভারীযন্ত্র এনে ভাঙা শুরু করে ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিল্ডিংটি গুঁড়িয়ে দেয়। আসামিদের অনেকে ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্টও করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা