সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
ইয়ুথ বাংলা টেলিভিশন ইউকে , ইউএসএ, অস্ট্রেলিয়া ,ফ্রান্স, কানাডা , সিংগাপুর , মালেশিয়াতে স্যাটেলাইটে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারের জন্য এনওসি প্রাপ্ত হয়। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বোলারদের কল্যাণে অস্ট্রেলিয়ায় সহজ জয় বাংলাদেশের

প্রতিবেদকের নাম

শুরুতেই ম্যাচের ভাগ্যটা লিখে দিয়েছিলেন বাংলাদেশ এইচপি দলের বোলাররা। নেপাল ‘এ’ দলের স্কোরবোর্ডে ১৩ রান উঠতেই পড়ে গিয়েছিল ৫ উইকেট। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তাদের সংগ্রহ থামে ৯৯ রানে। এরপর গল্পের বাকি অংশটুকু লিখলেন জিসান আলম। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের এই ব্যাটার নেপালের বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় বইয়ে দিলেন। মাত্র ২৯ বলেই তুলে নিলেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল বাংলাদেশ এইচপি দল। টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির এবারের আসর শুরু হলো তাদের প্রত্যাশিত জয় দিয়ে।

১০০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩২ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে হাবিবুর রহমান সোহান আউট হলেও বাংলাদেশের রানের গতি থামেনি। এরপর জিসানের ব্যাটেই ম্যাচটা হয়ে ওঠে একপেশে। তিনি তৃতীয় উইকেটে নামা আরিফুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। নেপালের বোলারদের ওপর চাপ বাড়িয়ে মাত্র ২৯ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৫২ রানে অপরাজিত থেকে বাংলাদেশকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন জিসান। তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন আরিফুলও—২৭ বলে তার রান ৩৪। মাত্র ১০.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

এর আগে টস জিতে নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে শুরু থেকেই সঠিক প্রমাণ করতে থাকেন বাংলাদেশের বোলাররা। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে নেপাল। মাত্র ১৩ রানের মধ্যেই ৫ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশ।

এই ধাক্কার পর নেপালের ইনিংসকে কিছুটা সামলানোর চেষ্টা করেন কুশল ভুর্তেল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৬ রানও আসে তার ব্যাট থেকেই। সাহাব আলম করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ রান। বিপিন খত্রী অপরাজিত থাকেন ১১ রানে। তবে ভুর্তেলের চেষ্টা নেপালের ইনিংসকে খুব বেশি দূর নিতে পারেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৯৯ রানেই থামে তাদের ইনিংস।

বাংলাদেশের জন্য টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির মঞ্চটি অবশ্য নতুন নয়। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টে খেলছে তারা। আগের দুই আসরের একটিতে ফাইনালেও উঠেছিল বাংলাদেশ। তবে শিরোপা জেতা হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা